

মেছবাহ উদ্দিন, কোম্পানীগঞ্জ (নোয়াখালী) প্রতিনিধি: পানিসম্পদ মন্ত্রী শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানি বলেছেন, এটি আমাদের কোনো দলীয় প্রোগ্রাম নয়। এই এলাকার মানুষের জীবনের একটি যুদ্ধ এবং প্রকৃতির সাথে লড়াই করেই আমরা এই উপকূলীয় অঞ্চলে বেঁচে আছি। বর্ষা মৌসুম এলেই আমাদের প্রস্তুত থাকতে হয়, কারণ বন্যার পানি যেকোনো সময় আমাদের জীবনের গতিপথ পরিবর্তন করে দিতে পারে। তাই বৃহত্তর নোয়াখালীকে বাঁচাতে মুছাপুর রেগুলেটর বাস্তবায়নকে আমাদের সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিতে হবে।
মঙ্গলবার (১০ মার্চ) দুপুরে নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার মুছাপুর ক্লোজার ও প্রস্তাবিত রেগুলেটর এলাকা এবং নদী ভাঙনকবলিত উপকূলীয় অঞ্চল সরেজমিনে পরিদর্শনকালে মন্ত্রী এসব কথা বলেন। নোয়াখালী জেলা প্রশাসক মুহাম্মদ শফিকুল ইসলামের সভাপতিত্বে এবং নোয়াখালী জেলা বিএনপির সদস্য নুরুল আলম সিকদারের সঞ্চালনায় মুছাপুর ক্লোজার এলাকায় এক সভা অনুষ্ঠিত হয়।
সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে পানিসম্পদ মন্ত্রী আরও বলেন, আমি এখানে আসার আগে সংশ্লিষ্টদের সাথে কথা বলেছি। কীভাবে এই প্রতিকূলতা একদিকে মোকাবিলা করা যায় এবং অপরদিকে একটি প্রকল্প বাস্তবায়নের মধ্য দিয়ে স্থায়ী সমাধান করা যায়—সেটিই আমাদের লক্ষ্য। ইতিমধ্যে আমি মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর সাথে কথা বলেছি। এলাকার মানুষের বর্ষা মৌসুমে ক্ষতিগ্রস্ত হওয়া সম্পর্কে তিনি অবগত আছেন। তিনি জানিয়েছেন, আমি যেন পরিদর্শন শেষে প্রতিবেদন প্রদান করি। আমরা মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর সাথে আরও আলোচনা করে যদি এটি বাস্তবায়ন করতে পারি, তবেই গ্রেটার নোয়াখালীকে রক্ষা করা সম্ভব হবে।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন নোয়াখালী-৫ আসনের সংসদ সদস্য মোহাম্মদ ফখরুল ইসলাম এবং বন, পরিবেশ ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রী আবদুল আউয়াল মিন্টু। এছাড়াও জেলা ও উপজেলা প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ এবং স্থানীয় রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
এর আগে মন্ত্রীদ্বয় কোম্পানীগঞ্জ থানায় পৌঁছালে পুলিশের একটি চৌকস দল তাঁদের 'গার্ড অব অনার' প্রদান করে এবং উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে ফুলেল শুভেচ্ছা জানানো হয়।

