

চিলমারী (কুড়িগ্রাম) প্রতিনিধি: কুড়িগ্রামের চিলমারীতে ব্রিজ নির্মাণ কাজে অনিয়মের অভিযোগের প্রেক্ষিতে অভিযান চালিয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। বুধবার (২৮ জানুয়ারি) উপজেলার রমনা ইউনিয়নাধীন পাত্রখাতা এলাকায় নির্মাণাধীন সেতু পরিদর্শন করেন কুড়িগ্রাম জেলা সমন্বিত দুদকের একটি টিম। সরেজমিনে প্রকল্প এলাকা পরিদর্শন করে নির্মাণ কাজের ব্যবহৃত সামগ্রী ও প্রকল্প সংক্রান্ত নথিপত্র যাচাই করেন তারা।
জানা গেছে, উপজেলার পাত্রখাতা এলাকায় তিস্তা খালের উপর ৬৮মিটার একটি সেতু ও সেতুর দুই পাশে (এপ্রোচ)হেরিং বোন(এইচবিবি) সড়ক নির্মাণ করা হয়। এতে নির্মাণ ব্যয় ছিল ৩ কোটি ৪০ লক্ষ ৩১ হাজার টাকা। এলজিইডি বিভাগের অধীনে কাজটি করেন ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান মের্সাস বসুন্ধরা অ্যান্ড মের্সাস খায়রুল ইন্টারপ্রাইজ। সেতু নির্মাণের সময় বিভিন্ন অনিয়ম নিয়ে অভিযোগ হয়। অভিযোগের প্রেক্ষিতে বুধবার দুর্নীতি দমন কমিশন থেকে অভিযান পরিচালনা করা হয়।
দুদক সূত্র জানায়, সংশ্লিষ্ট সেতু নির্মাণ প্রকল্পে নিম্নমানের সামগ্রী ব্যবহারসহ কাজের নকশা এবং ব্যয়ের ক্ষেত্রে অনিয়মের অভিযোগ পাওয়া যায়। এসব অভিযোগের প্রাথমিক সত্যতা যাচাইয়ের অংশ হিসেবে এই পরিদর্শন কার্যক্রম পরিচালনা করা হয়।
পরিদর্শনকালে সমন্বিত কুড়িগ্রাম জেলা দুর্নীতি দমন কমিশন(দুদক) কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক মোঃ সাবদারুল ইসলাম, উপসহকারী পরিচালক মোঃ মিজানুর রহমান চৌধুরী, মোহাম্মদ আতিকুর রহমান সড়ক ও জনপদের একজন নিরপেক্ষ প্রকৌশলী প্রকল্প বাস্তবায়নকারী অফিস এলজিইডি’র দায়িত্বরত প্রকৌশলী জুলফিকার আলী, ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের ম্যানেজার আব্দুল মান্নান প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
এ বিষয়ে সমন্বিত কুড়িগ্রাম জেলা দুর্নীতি দমন কমিশন(দুদক) কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক মোঃ সাবদারুল ইসলাম বলেন, ব্রীজের ব্লকের কাজে নিম্নমানের সামগ্রী ব্যবহার এবং এপ্রোচ রোডে হেরিংবোনে নিম্নমানের ইট ব্যবহার করা হয়েছে। এরকম নানা অভিযোগে আমরা এসেছিলাম ব্রীজ আমরা পরিমাপ করেছি বেশকিছু ক্রটি আমাদের চোখে ধরা পড়েছে, সার্বিক যেগুলো আমরা পেয়েছি তা কমিশন বরাবর প্রেরণ করবো।

