

মোঃ হারুন অর রশিদ, ডেমরা প্রতিনিধি: রাজধানীর ডেমরায় র্যাব-১০ এর অভিযানে ৩টি সাউন্ড ফ্ল্যাস গ্রেনেড উদ্ধার করা হয়েছে। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে শনিবার (১৩ ডিসেম্বর) রাত সাড়ে ১০টার দিকে আমুলিয়া মডেল টাউনের একটি ফাঁকা জমি থেকে ওইসব গ্রেনেড উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় র্যাব-১০ ওই রাতেই ডেমরা থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করে।
র্যাব-১০ সূত্র জানায়, র্যাব-১০ এর যাত্রাবাড়ী ক্যাম্পের একটি দল গত শনিবার রাতে ডেমরার মিরপাড়া স্টাফ কোয়ার্টার এলাকার বনশ্রীগামী সড়কের পশ্চিম পাশে বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে। অভিযানে পরিত্যক্ত অবস্থায় ধাতব লিভারযুক্ত ৩টি সাউন্ড গ্রেনেড উদ্ধার করা হয়। এর আগেও গত ২৯ নভেম্বর রাতে ডেমরার সারুলিয়া গরুর হাট সংলগ্ন ডিএনডির অভ্যন্তরীণ পানি নিষ্কাশন খাল থেকে পরিত্যক্ত অবস্থায় ৪টি অবিস্ফোরিত গ্রেনেড সদৃশ্য বোমা উদ্ধার করে র্যাব-১০।
র্যাব আরও জানায়, রাষ্ট্রীয় নিরাপত্তা, জননিরাপত্তা ও নাশকতা প্রতিরোধে র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব) এ অভিযান চালায়। এদিকে অবৈধ বিস্ফোরক দ্রব্যের মজুদ, পরিবহন ও ব্যবহার রোধ এবং অবৈধ অস্ত্র উদ্ধারে র্যাব নিয়মিতভাবে গোয়েন্দাভিত্তিক তথ্য সংগ্রহ ও তাৎক্ষণিক অভিযান পরিচালনা করছে। আধুনিক প্রযুক্তি ও প্রশিক্ষিত জনবল ব্যবহার করে র্যাব “জিরো টলারেন্স” নীতিতে রাষ্ট্রবিরোধী যেকোনো কর্মকান্ড কঠোরভাবে দমন করছে।
র্যাব জানায়, গত ৫ আগস্ট ২০২৪-এ “জুলাই গণঅভ্যুত্থান”-এর সুযোগে দুষ্কৃতিকারীরা একযোগে বিভিন্ন থানায় হামলা চালিয়ে অস্ত্র ও গোলাবারুদ লুট করে এবং সেগুলো পরে সন্ত্রাসী কর্মকান্ডে ব্যবহার করতে থাকে, ফলে দেশে ব্যাপক আতঙ্ক সৃষ্টি হয়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে র্যাব শুরু থেকেই পেশাদারিত্বের সঙ্গে অভিযান চালিয়ে যাচ্ছে। এদিকে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লুট হওয়া ও অবৈধ অস্ত্র উদ্ধারে বিশেষ গুরুত্বারোপ করে বাহিনীগুলোকে তৎপরতা বাড়াতে নির্দেশনা দেন। নির্দেশনার পর র্যাব আরও জোরদার ও দক্ষতার সঙ্গে অভিযান পরিচালনা করছে।
এ বিষয়ে ডেমরা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোহাম্মদ তাইফুর রহমান মির্জা বলেন, র্যাব-১০ পরিত্যক্ত অবস্থায় গ্রেনেড উদ্ধার করে। বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করা হচ্ছে। জড়িতদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনা হবে।
