

বিএনপির বিজয়ী প্রার্থী আসলাম চৌধুরীর প্রার্থিতা বাতিল করেছেন আপিল বিভাগ। এর ফলে চট্টগ্রাম-৪ আসনে নতুন করে নির্বাচন হওয়ার সম্ভাবনা আছে বলে জানিয়েছেন অ্যাটর্নি জেনারেল ব্যারিস্টার রুহুল কুদ্দুস কাজল।
মঙ্গলবার (৩০ জুন) এই আসনে বিজয়ী বিএনপি প্রার্থী আসলাম চৌধুরীর শপথ নিয়ে আপিল বিভাগের রায়ের পর সংবাদ সম্মেলনে এ কথা বলেন অ্যাটর্নি জেনারেল।
অ্যাটর্নি জেনারেল বলেন, “ব্যক্তির একটি নিদিষ্ট সময়ের অযোগ্যতা তো সারাজীবন থাকবে না। যে কারণে (ঋণখেলাপি) তিনি নির্বাচিত হওয়া সত্ত্বেও নির্বাচনের ফলাফলটি ভোগ করতে পারলেন না এবং পরবর্তী নির্বাচনের ক্ষেত্রে তিনি যদি সে অযোগ্যতা কাটিয়ে যোগ্য হন তার তো নির্বাচনে প্রার্থী হওয়ার ক্ষেত্রে আইনগত কোনও আইনগত বাধা থাকার কথা না।”
এর আগে ঋণখেলাপি হওয়ায় চট্টগ্রাম-৪ আসনের বিএনপির বিজয়ী প্রার্থী আসলাম চৌধুরীর প্রার্থিতা বাতিল করেন আপিল বিভাগ। ফলে সংসদ সদস্য হিসেবে শপথ নিতে পারবেন না তিনি।
প্রধান বিচারপতি জুবায়ের রহমান চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন আপিল বিভাগ মঙ্গলবার এ রায় দেন।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে আসলাম চৌধুরীর বিরুদ্ধে ঋণখেলাপির অভিযোগ এলে নির্বাচন কমিশন আপিল শুনানির শেষ দিন তার মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা করে। সেই সিদ্ধান্ত চ্যালেঞ্জ করে রিট হলে হাইকোর্টের আদেশে আসলাম চৌধুরীর প্রার্থিতা বহাল থাকে।
তবে আসলাম চৌধুরীর প্রার্থিতা বহাল থাকার হাইকোর্টের আদেশের বিরুদ্ধে ঋণখেলাপির অভিযোগ এনে লিভ টু আপিল করেন একই আসনের জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী আনোয়ার সিদ্দিকী।
জামায়াত প্রার্থীর করা লিভ টু আপিল মঞ্জুর করে গত ৩ ফেব্রুয়ারি আদেশ দেন আপিল বিভাগ।
আদেশে বলা হয়, যদি আসলাম চৌধুরী নির্বাচনে প্রার্থী হিসেবে সফল হন, তবে আপিলের চূড়ান্ত নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত সংশ্লিষ্ট আসনের নির্বাচনের ফলাফল স্থগিত থাকবে।
প্রসঙ্গত, গত ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনে আসলাম চৌধুরী বিজয়ী হন। কিন্তু আদালতের আদেশের কারণে ফলাফল প্রকাশিত হয়নি।
