

আশরাফুল ইসলাম, শার্শা (যশোর) প্রতিনিধি: যশোরের শার্শা থানায় মাদকবিরোধী অভিযান, চোরাচালান প্রতিরোধ ও অপরাধ নিয়ন্ত্রণে বিশেষ অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে পুরস্কার পেয়েছেন থানার সেকেন্ড অফিসার আশীষ সরকার।
তার ধারাবাহিক দায়িত্বশীলতা ও মাদক উদ্ধারে সক্রিয় ভূমিকার জন্য জেলা পুলিশের মাসিক কল্যাণ সভায় তাকে এ বিশেষ পুরস্কার প্রদান করা হয়।
গত সোমবার (২৪ আগস্ট) সকালে যশোর জেলা পুলিশের জুলাই-২০২৬ মাসের মাসিক কল্যাণ সভায় পুলিশ সুপার সৈয়দ রফিকুল ইসলাম আশীষ সরকারের হাতে এ পুরস্কার তুলে দেন।
সভায় অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অর্থ) রাজিবুল ইসলাম, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম অ্যান্ড অপস) মিরাজুল ইসলাম, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ডিএসবি) সাখাওয়াত হোসেন, বিভিন্ন সার্কেলের কর্মকর্তা, শিক্ষানবিশ সহকারী পুলিশ সুপারসহ জেলার বিভিন্ন থানার অফিসার ইনচার্জ ও বিভিন্ন ইউনিটের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। এ সময় শার্শা থানার অফিসার ইনচার্জ শামিনুল হকও উপস্থিত ছিলেন।
পুলিশের দায়িত্বশীল কর্মকর্তারা জানান, সীমান্তবর্তী শার্শা উপজেলায় মাদক ও চোরাচালান প্রতিরোধে নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করে আসছে পুলিশ। এসব অভিযানে মাদক উদ্ধার, মাদক ব্যবসায়ীদের গ্রেপ্তার এবং অপরাধ নিয়ন্ত্রণে মাঠপর্যায়ে সক্রিয় ভূমিকা রাখছেন থানার কর্মকর্তারা।
এরই ধারাবাহিকতায় সেকেন্ড অফিসার আশীষ সরকারের দায়িত্বশীলতা ও কর্মতৎপরতা জেলা পুলিশের পক্ষ থেকে বিশেষভাবে স্বীকৃতি পেয়েছে।
পুরস্কার পাওয়ার অনুভূতি জানিয়ে শার্শা থানার সেকেন্ড অফিসার আশীষ সরকার বলেন, পুরস্কারটি পেয়ে আমি খুবই আনন্দিত ও অনুপ্রাণিত। এ স্বীকৃতি আমার দায়িত্ববোধ আরও বাড়িয়ে দিয়েছে। ভবিষ্যতে মাদক ও চোরাচালান প্রতিরোধসহ অপরাধ নিয়ন্ত্রণে আরও নিষ্ঠা ও আন্তরিকতার সঙ্গে কাজ করতে চাই।
তিনি বলেন, ভালো কাজের এই স্বীকৃতি তাকে আরও উৎসাহিত করবে। পুলিশের ওপর অর্পিত দায়িত্ব যথাযথভাবে পালন এবং সমাজকে মাদক ও অপরাধমুক্ত রাখতে নিজের সর্বোচ্চ চেষ্টা অব্যাহত রাখার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন তিনি।
স্থানীয়দের মতে, সীমান্তবর্তী শার্শায় মাদক ও চোরাচালান নিয়ন্ত্রণে পুলিশের এমন কার্যকর উদ্যোগ যেমন অপরাধ দমনে ভূমিকা রাখে, তেমনি দায়িত্বশীল ও ভালো কাজের স্বীকৃতি মাঠপর্যায়ের পুলিশ সদস্যদের আরও উৎসাহিত করে।
জেলা পুলিশের এই পুরস্কার ভবিষ্যতে শার্শায় মাদকবিরোধী কার্যক্রমকে আরও গতিশীল করবে বলে প্রত্যাশা স্থানীয়দের।
