ঢাকা
১৪ই জুলাই, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ
রাত ১১:৩১
logo
প্রকাশিত : জুলাই ১৩, ২০২৬

বাঁচতে চায় দুরারোগ্য ব্যাধিতে আক্রান্ত সাজিদ

চিলমারী (কুড়িগ্রাম) প্রতিনিধি: পৃথিবীর আলো-বাতাসে বেঁচে থাকতে চায় চিলমারীর এ্যাপ্লাষ্টিক এনিমিয়া রোগে আক্রান্ত মো.আব্দুল্লাহ আল সাজিদ। এ্যাপ্লাষ্টিক এনিমিয়া রোগে ক্ষতিগ্রস্থ বোনমেরু প্রতিস্থাপন করলে সুস্থ হয়ে স্বাভাবিক জীবনে ফিরতে পারবে সাজিদ। পূর্ণ হবে তার কুরআনের হাফেজ হওয়ার স্বপ্ন, ফিরে পাবে সে তার বাবা-মায়ের কোল।

কুড়িগ্রামের চিলমারী উপজেলাধীন থানাহাট ইউনিয়নের থানাপাড়া এলাকার মো.সাজ্জাদ হোসেন ও গৃহিনী মোছা.খায়রুম মনিরা দম্পতির দুই ছেলের মধ্যে বড় ছেলে মো.আব্দুল্লাহ আল সাজিদ (১৫)। ছেলেকে কুরআনের হাফেজ বানাতে প্রাথমিকের লেখাপড়া শেষে হাফেজি মাদ্রাসায় ভর্তি করিয়ে দেন বাবা-মা। সেখানে ৫ পাড়া কুরআন খতম করেছে সাজিদ। ভালই চলছিল তার লেখাপড়া। ২০২৩ সালের জুলাই মাসে হঠাৎ জন্ডিসে আক্রান্ত হয়ে পড়ে সাজিদ। দেড় মাস চিকিৎসার পর সুস্থ হয়ে মাদ্রাসায় ফিরে যায় সে। ২০ দিন যেতে না যেতেই আবার জন্ডিসে আক্রান্ত হয়ে পড়ে শিশু সাজিদ। দ্বিতীয়বার চিকিৎসার জন্য গেলে চিকিৎসক ঢাকাস্থ বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের শিশু হেপাটোলজি বিভাগে প্রেরণ করেন। চিকিৎসকের পরামর্শে সেখানে গিয়ে বিভিন্ন পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে প্রথমে হাইপোফ্লাশিয়া ও পরে এ্যাপ্লাষ্টিক এনিমিয়া (রক্ত তৈরী না হওয়া) হয়েছে বলে জানা যায়।

চিকিৎসকের মতে এই রোগের চিকিৎসা তিন ভাবে হতে পারে। প্রথমত-ঔষধ প্রয়োগ করে ,দ্বিতীয়ত-এটিজি ইনজেকশন প্রদান করে এবং তৃতীয়ত-বোনমেরু ট্রান্সপ্লান্টেশন করে। দীর্ঘ তিন বছর ধরে নিজ সন্তানের জীবন বাঁচানোর জন্য নিরলস লড়াই করে ১ম এবং ২য় দুটি ধাপে ছেলের পিছনে ৩০ লক্ষাধিক টাকা ব্যয় করেছেন অসহায় পিতা সাজ্জাদ হোসেন।

সাজিদের বাবা সাজ্জাদ হোসেন জানান, ছেলের সুস্থতার জন্য চিকিৎসকের পরামর্শ মোতাবেক প্রথম পদ্ধতি অর্থাৎ ঔষধ প্রয়োগের চিকিৎসা নিতে থাকি। এতে শরীরে রক্ত প্রদানসহ ঔষধের ডোজ শেষ করার পর আরোগ্য না হওয়ায় দ্বিতীয় পদ্ধতিতে চিকিৎসা করানোর পরামর্শ দেন চিকিৎসক। চিকিৎসকের পরামর্শ মোতাবেক দ্বিতীয় পদ্ধতিতে এটিজি ইনজেকশন নেয়ার ডোজ সম্পন্ন করতে সবমিলে আমার ৩০ লক্ষাধিক টাকা খরচ হয়েছে। এরপরেও আমার সন্তানের রোগ আরোগ্য হয়নি। এ পর্যায়ে চিকিৎসক আমাকে চিকিৎসার তৃতীয় পদ্ধতিতে বোনমেরু ট্রান্সপ্লান্টেশন করার পরামর্শ দেন। চিকিৎসকের পরামর্শ মোতাবেক ছোট সন্তানের বোনমেরু পরীক্ষা করা হয়েছে। আমার ছোট ছেলের সাথে অসুস্থ ছেলের বোনমেরু ম্যাচ করেছে। যত দ্রুত সম্ভব বোনমেরু ট্রান্সপ্লান্ট করতে হবে। এই বোনমেরু ট্রান্সপ্লান্টের সম্ভাব্য ব্যয় ৩০ থেকে ৩৫ লক্ষ টাকা।

তিনি আরও জানান, নিজের স্থাবর-অস্থাবর সম্পত্তি বিক্রি এবং ঋণ করে এপর্যন্ত ছেলের পিছনে তার খরচ হয়েছে প্রায় ৩০ লক্ষ টাকা। শেষ সম্বল বিক্রি করে কোন রকমে ১০ লক্ষ টাকা যোগার করতে পারবো। ছেলের পরবর্তী চিকিৎসা করানোর জন্য এত টাকা যোগার করা তার জন্য অসম্ভব প্রায়।

১৫ বছর বয়সের কুরআনের হাফেজ শিশু সাজিদ পৃথিবীর আলো-বাতাসে বেঁচে থাকতে চায়। আর এজন্য বিত্তশালীদের সহযোগিতা কামনা করেছে শিশু সাজিদ। যোগাযোগ এবং সাহায্য পাঠাবার ঠিকানা মো.সাজ্জাদ হোসেন (সাজিদের বাবা-০১৯১৩-৮৮৮৮৫৩ (বিকাশ), সোনালী ব্যাংক চিলমারী শাখার সঞ্চয়ি হিসাব নং-৫২০৪৩০১০২১৬২৮।

সর্বশেষ
logo
প্রকাশকঃ অধ্যাপক ড. জোবায়ের আলম
ভারপ্রাপ্ত সম্পাদকঃ এডভোকেট মো: গোলাম সরোয়ার
কার্যালয় : বিটিটিসি বিল্ডিং (লেভেল:০৩), ২৭০/বি, তেজগাঁও (আই/এ), ঢাকা-১২০৮
মোবাইল: +88 02-226603507, +88 02-226603508, +880 1713 037 345, +880 1300 126 624
ইমেইল: tbtbangla@gmail.com (online), ads@thebangladeshtoday.com (adv) newsbangla@thebangladeshtoday.com (Print)
বাংলাদেশ টুডে কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত। অনুমতি ছাড়া এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি ও বিষয়বস্তু অন্য কোথাও প্রকাশ করা বে-আইনী।
Copyright © 2026 The Bangladesh Today. All Rights Reserved.
Host by
linkedin facebook pinterest youtube rss twitter instagram facebook-blank rss-blank linkedin-blank pinterest youtube twitter instagram