

জাহেদুল জাহিদ : প্রতিশ্রুতির রাজনীতি নয় — প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নে তেঁতুলতলায় প্রতিমন্ত্রী - “ভোটের আগে দেওয়া কথা, এবার বাস্তবায়ন”।
ভোটের আগের প্রতিশ্রুতি পূরণ করলেন মীর শাহে আলম স্ত্রীকে সঙ্গে নিয়ে তেঁতুলতলায় ছুটে গেলেন প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম, দিদিদের হাতে তুলে দিলেন শাড়ি।
দেউলী ইউনিয়নের তেঁতুলতলা এলাকায় সোমবার সন্ধ্যায় ছিল এক ভিন্নধর্মী আবেগঘন আয়োজন। রাজনৈতিক মঞ্চের আনুষ্ঠানিকতা ছাপিয়ে সেখানে যেন ফুটে উঠেছিল আত্মীয়তার এক অনন্য ছবি। স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম তাঁর পূর্বের দেওয়া প্রতিশ্রুতি রক্ষা করতে স্ত্রী মীর লাবনী আক্তার-কে সঙ্গে নিয়ে উপস্থিত হন তেঁতুলতলার হরিবাসর অনুষ্ঠানে অংশ নেওয়া হিন্দু সম্প্রদায়ের নারীদের মাঝে।

নির্বাচনের আগে এই হরিবাসরেই স্থানীয় নারীরা তাঁকে স্নেহভরে “দাদা” বলে সম্বোধন করেছিলেন। তখনকার এমপি প্রার্থী মীর শাহে আলমও তাঁদের “দিদি” ডেকে বলেছিলেন— বিজয়ী হলে আবার আসবেন, সঙ্গে থাকবে ভালোবাসার উপহার। সময়ের ব্যবধানে তিনি এখন প্রতিমন্ত্রী, কিন্তু সেই কথাটি ভুলে যাননি।
সোমবারের সফরে প্রতিমন্ত্রীর আগমনের খবর ছড়িয়ে পড়তেই এলাকায় উৎসবের আমেজ তৈরি হয়। মঞ্চজুড়ে ছিল মানুষের ভিড়, উচ্ছ্বাস আর আবেগ। প্রতিমন্ত্রী নিজ হাতে নারীদের মাঝে শাড়ি তুলে দেন। পাশে ছিলেন তাঁর সহধর্মিণী, যিনি পুরো আয়োজনকে আরও আন্তরিক ও পারিবারিক আবহ এনে দেন।
স্থানীয়দের ভাষ্য, “এটি শুধুই শাড়ি বিতরণ নয়, একজন জনপ্রতিনিধির দেওয়া কথার মূল্য রাখার বিরল দৃষ্টান্ত।” অনেকেই বলেন, নির্বাচনের পর নেতাদের এলাকায় না ফেরার অভিযোগের মধ্যে মীর শাহে আলমের এই উদ্যোগ সাধারণ মানুষের হৃদয়ে আলাদা জায়গা করে নিয়েছে।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত নারীদের চোখেমুখে ছিল আনন্দের ছাপ। কেউ কেউ আবেগাপ্লুত হয়ে বলেন,
“দাদা কথা রাখছে, এটাই আমাদের সবচেয়ে বড় পাওয়া।”
রাজনীতির হিসাব-নিকাশের বাইরে গিয়ে এদিন তেঁতুলতলায় যেন গড়ে উঠেছিল সম্প্রীতি, সম্মান আর বিশ্বাসের এক মানবিক দৃশ্য— যেখানে একজন প্রতিমন্ত্রী নয়, বরং এলাকার “দাদা” হিসেবেই দেখা মিলেছে মীর শাহে আলমের।

