

ব্রিটিশ নাগরিক হিসেবে সম্প্রতি আফগানিস্তান প্রিমিয়ার লিগে (এপিএল) নিবন্ধনের পর থেকেই ক্রিকেট বিশ্বে শুরু হয়েছিল এক নতুন গুঞ্জন। পাকিস্তানের সাবেক এই গতি তারকাও কি তবে সাবেক অলরাউন্ডার আজহার মাহমুদের পথ ধরে আইপিএলে নাম লেখাতে চলেছেন? এমন জল্পনা যখন তুঙ্গে, তখন নিজেই বিষয়টি পরিষ্কার করে সব গুঞ্জনের চিরতরে অবসান ঘটালেন মোহাম্মদ আমির।
চলতি বছরেই ব্রিটিশ নাগরিকত্ব পেয়েছেন আমির। সোমবার এপিএলে নাম রেজিস্টার করার পর থেকেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও ক্রীড়া মহলে আলোচনা শুরু হয় যে, যেহেতু আইপিএলে সরাসরি পাকিস্তানি খেলোয়াড় বা নাগরিকদের খেলা নিষিদ্ধ, তাই আমির বোধহয় ব্রিটিশ নাগরিকত্বের সুবাদেই বিশ্বের সবচেয়ে জমজমাট এই ফ্র্যাঞ্চাইজি লিগে নাম লেখানোর প্রস্তুতি নিচ্ছেন।
তবে এই গুঞ্জনকে বেশিক্ষণ ডালপালা মেলতে দেননি বাঁহাতি এই পেসার। নিজের ভেরিফাইড এক্স (পূর্বের টুইটার) অ্যাকাউন্টে এক পোস্টে তিনি স্পষ্ট জানিয়ে দেন, ‘সবাইকে হাই জানাচ্ছি, একটি বিষয় স্পষ্ট করে দিতে চাই।
উল্লেখ্য, আমির তার স্ত্রী নার্জিস খানের সুবাদে ব্রিটিশ নাগরিকত্ব অর্জন করেন। চলতি বছরের শুরুর দিকে অনুষ্ঠিত দ্য হান্ড্রেডের ড্রাফটে বিদেশি ক্যাটাগরিতে অবিক্রিত থাকলেও পরবর্তীতে স্থানীয় খেলোয়াড় হিসেবে দল পেয়েছিলেন তিনি।
গত ২০২৪ সালের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের পর আন্তর্জাতিক ক্রিকেটকে বিদায় জানানো আমির সে সময় পরিষ্কার করে বলেছিলেন, ‘আমি এখন স্থানীয় ব্রিটিশ।
কাউন্টি চ্যাম্পিয়নশিপ ও দ্য হান্ড্রেডের মতো প্রতিযোগিতায় যখন স্থানীয় হিসেবে খেলতে চান, তখন একটি চুক্তিতে সই করতে হয় যে আপনি আর অন্য কোনো দেশের হয়ে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট খেলতে পারবেন না। তাই আমার পাকিস্তান অধ্যায় এখন চিরতরে শেষ।’
ক্রিকেটপ্রেমীদের অনেকেরই মনে রয়েছে পাকিস্তানের সাবেক সফল অলরাউন্ডার আজহার মাহমুদের কথা। ২০১২ থেকে ২০১৫ সাল পর্যন্ত আইপিএলে খেলেছিলেন তিনি। আমিরের মতোই তিনিও একসময় ব্রিটিশ নাগরিকত্ব লাভ করেছিলেন এবং সেই সুবাদে প্রথমে পাঞ্জাব কিংস ও পরবর্তীতে কলকাতা নাইট রাইডার্সের (কেকেআর) হয়ে আইপিএলে মাঠে নেমেছিলেন।
