

গুণী নির্মাতা রাজকুমার হিরানি বলিউডের মিস্টার পারফেকশনিস্ট আমির খানকে নিয়ে নির্মাণ করেন ‘থ্রি ইডিয়টস’। ২০০৯ সালে সিনেমাটি মুক্তির পর ইতিহাস রচনা করে। ২০১৬ সালে আমির খান সিনেমাটির সিক্যুয়েল নির্মাণের ইঙ্গিত দিয়েছিলেন। যদিও তা আর বাস্তবে রূপ নেয়নি।
গত বছর সিনেমাটির সিক্যুয়েল নির্মাণের গুঞ্জন চাউর হলেও তা হারিয়ে যায়। এবার আমির খান পরিষ্কারভাবে ঘোষণা করলেন—খুব শিগগির নির্মিত হতে যাচ্ছে ‘থ্রি ইডিয়টস টু’। অমর উজালাকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে এসব তথ্য জানান আমির খান।
এ আলাপচারিতায় আমির খান বলেন, “এখন ‘থ্রি ইডিয়টস টু’ সিনেমা নিয়ে কাজ করছি। গল্পটি শুনেছি, এটি বেশ ভালো হয়েছে। এখনো চিত্রনাট্যের কিছু কাজ বাকি আছে, তবে গল্পটি খুবই ভালো। এতে আগের মতোই হাস্যরস রয়েছে এবং একটি ভিন্নধর্মী গল্প। ‘থ্রি ইডিয়টস’ সিনেমার একই গল্প এটি, তবে ১০ বছর পরের প্রেক্ষাপটে।”
‘থ্রি ইডিয়টস টু’ সিনেমায় অভিনয়ের জন্য মুখিয়ে আছেন আমির খান। তা স্মরণ করে এই তারকা অভিনেতা বলেন, “আমি যেসব সিনেমায় খুব শিগগির অভিনয় করব, এটি সেই সিনেমাগুলোর একটি। আমার মনে হয়, এটি খুবই সুন্দর গল্প; যা অভিজাত ও রাজু খুব ভালোভাবে লিখেছেন। তাই আমিও এটি করার জন্য অপেক্ষা করছি।”
সিনেমাটির কাজ ঠিক কবে নাগাদ শুরু হবে, সে বিষয়ে নির্দিষ্ট তারিখ না জানালেও আমির খান ইঙ্গিত দিয়েছেন যে, এটি তার পরবর্তী প্রকল্পগুলোর একটি হতে যাচ্ছে। বিভিন্ন প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সিনেমাটিতে সম্ভবত আগের তারকারাই থাকবেন। যেমন: আমির খান, আর মাধবন, শারমান যোশী, কারিনা কাপুর খান প্রমুখ।
গত বছরের শেষের দিকে জোর গুঞ্জন চাউর হয়েছিল—১৫ বছর পর নির্মিত হতে যাচ্ছে ‘থ্রি ইডিয়টস’ সিনেমার সিক্যুয়েল। বহু প্রতীক্ষিত এই সিক্যুয়েলের চিত্রনাট্য চূড়ান্ত করেছেন পরিচালক রাজকুমার হিরানি। আগামী বছরের (২০২৬) দ্বিতীয়ার্ধে সিনেমাটির দৃশ্যধারণ শুরু হবে।
তখন মুখে কুলুপ এঁটেছিলেন রাজকুমার হিরানি ও আমির খান। তবে বিষয়টি নিয়ে নীরবতা ভাঙেন সিনেমাটির অন্যতম প্রধান চরিত্র ‘রাজু রাস্তোগি’ রূপায়নকারী শারমান যোশী। হিন্দুস্তান টাইমসকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তিনি বলেছিলেন, “আমি সত্যিই আশাবাদী এটা হবে। কিন্তু এখনো আমাকে কিছু জানানো হয়নি।”
বক্স অফিসে সফল ‘থ্রি ইডিয়টস’ সিনেমা ২০০৯ সালের ২৪ ডিসেম্বর মুক্তি পায়। গত বছরের ২৪ ডিসেম্বর সিনেমাটি মুক্তির ১৬ বছর পূর্ণ হয়। মুক্তির পর একটি কাল্ট ক্ল্যাসিকে পরিণত হয়। এটি ২০০ কোটি রুপির ক্লাবে প্রবেশ করা প্রথম ভারতীয় সিনেমা হিসেবেও ইতিহাস গড়েছিল।
*টাইমস অব ইন্ডিয়া অবলম্বনে

