

যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডায় নিহত বাংলাদেশি শিক্ষার্থী জামিল আহমেদ লিমনের (২৭) স্বপ্ন ছিলো পিএইচডি শেষ করে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক হওয়ার, এমনটাই জানিয়েছেন নিহতের জেঠি আকলিমা আক্তার।
তার ভাষ্য, দুই ভাইয়ের মধ্যে লিমন বড় ছিল। ছোটবেলা থেকেই খুব মেধাবী ছিল। তার স্বপ্ন ছিল বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক হওয়ার। কিন্তু সেই স্বপ্ন আর পূরণ হলো না।
আকলিমা আক্তার আরও বলেন, 'যুক্তরাষ্ট্র থেকে ফেরার পর তার বিয়ের কথা ছিল। আমরা পাত্রীও দেখছিলাম। এই হত্যাকাণ্ডের বিচার চাই, আর তার মরদেহ দেশে ফেরত চাই।'
নিহত শিক্ষার্থী লিমনের গ্রামের বাড়ি জামালপুর। বর্তমানে সেখানে চলছে স্বজনদের শোকের মাতম। শনিবার (২৫ এপ্রিল) দুপুরে জেলার মাদারগঞ্জ উপজেলার কড়ইচড়া ইউনিয়নের লালডোবা এলাকায় লিমনের গ্রামের বাড়িতে গিয়ে এমন চিত্রই দেখা গেছে।
নিহত লিমন লালডোবা এলাকার জহুরুল হকের ছেলে। তার শৈশব কেটেছে গাজীপুরের মাওনা এলাকায়। বর্তমানে তাঁরা রাজধানীর বসুন্ধরা এলাকায় বসবাস করেন।
স্বজনরা জানান, যুক্তরাষ্ট্রে গত ১৭ এপ্রিল থেকে নিখোঁজ ছিলেন জামিল আহমেদ লিমন ও তার বন্ধবী নাহিদা সুলতানা বৃষ্টি। সেখানে তারা পিএইচডি করছিলেন। গত শুক্রবার (২৪ এপ্রিল) জামিল আহমেদ লিমনের ক্ষতবিক্ষত মরদেহ উদ্ধার করেছে ফ্লোরিডার স্থানীয় পুলিশ।
নিহতের জেঠা জিয়াউর হক বলেন, 'আমার ভাতিজা ছোটবেলা থেকে ঢাকায় বড় হয়েছে। মাঝেমধ্যে এলাকায় বেড়াতে আসত। আমরা শুনেছি, এ ঘটনায় এক মেয়ে নিখোঁজ রয়েছে, যার বাড়ি মাদারীপুরে।'
নিহতের চাচা আল আমিন বলেন, গত বুধবার জামিলের সঙ্গে সর্বশেষ কথা হয়েছিল। পরে বৃহস্পতিবার রাতে জানতে পারি, তার খণ্ডবিখণ্ড মরদেহ পাওয়া গেছে। খবর শুনেই ঢাকায় বড় ভাইয়ের কাছে চলে যাই।

