

মতিয়ার রহমান মধু, সাতক্ষীরা প্রতিনিধি: সাতক্ষীরা জেলা পুলিশের সাইবার ক্রাইম ইনভেস্টিগেশন সেল গত তিন মাসে (জুলাই–সেপ্টেম্বর) হারানো ১০৮টি মোবাইল ফোন উদ্ধার করেছে। একই সময়ে বিকাশ ও নগদের মাধ্যমে প্রতারণা করে নেওয়া ৩ লাখ ৬০ হাজার টাকারও বেশি অর্থ ফেরত দেওয়া হয়েছে প্রকৃত মালিকদের কাছে।
মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ১১টার দিকে সাতক্ষীরা পুলিশ লাইন্সের কনভেনশন হলে উদ্ধার মোবাইল ও টাকা মালিকদের হাতে তুলে দেন পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মনিরুল ইসলাম। এ সময় উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. মুকিত হাসান খান, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ডিএসবি) মিথুন সরকার ও ডিআইও–১ মনিরুল ইসলাম।
পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মনিরুল ইসলাম বলেন, ‘প্রযুক্তি যত উন্নত হচ্ছে, অপরাধও তত জটিল হচ্ছে। জনগণের সাইবার নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে আমাদের এ বিশেষ সেল কাজ করছে। ভবিষ্যতে আরও আধুনিক প্রযুক্তি ও জনসচেতনতায় অনলাইন অপরাধ আরও কমে আসবে বলে আশা করি। তিনি আরও জানান, সাতক্ষীরায় সাইবার অপরাধ সংক্রান্ত যেকোনো সহায়তার জন্য জেলা পুলিশের হেল্পলাইন সবসময় খোলা রয়েছে। মানুষ দ্রুত তথ্য দিলে পুলিশও তত দ্রুত ব্যবস্থা নিতে পারে।
পুলিশ জানায়, উদ্ধার হওয়া মোবাইলগুলোর বাজারমূল্য প্রায় ১৬ লাখ ২০ হাজার টাকা। জুলাই থেকে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত সময়ে সাতক্ষীরার বিভিন্ন থানায় হারানো মোবাইল সংক্রান্ত ২২৫টি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করা হয়। এর মধ্যে ১০৮টি ফোন উদ্ধার করে মালিকদের হাতে তুলে দেওয়া হয়েছে। এ ছাড়া বিকাশ ও নগদের মাধ্যমে প্রতারণার শিকার ২০ জন ভুক্তভোগীর মোট ৩ লাখ ৬০ হাজার ২৬০ টাকা উদ্ধার করা হয়। একই সময়ে ফেসবুক, হোয়াটসঅ্যাপ, ইমোসহ বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে হ্যাক হওয়া ২১টি অ্যাকাউন্ট পুনরুদ্ধার করা হয় এবং অনলাইন হয়রানির শিকার আট নারীকে পরামর্শ ও সহায়তা দেওয়া হয়।
সাইবার ক্রাইম ইনভেস্টিগেশন সেলের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, ইউনিটটি গঠনের পর থেকে এ পর্যন্ত মোট ১ হাজার ৫৪৯টি মোবাইল ফোন উদ্ধার করেছে, যার বাজারমূল্য প্রায় ২ কোটি ৩২ লাখ ৩৫ হাজার টাকা। একই সময়ে বিকাশ ও নগদের মাধ্যমে প্রতারণায় হারানো ৪৩ লাখ ৩২ হাজার ৩৯৫ টাকা উদ্ধার করে মালিকদের ফিরিয়ে দেওয়া হয়েছে।এ ছাড়া বিকাশ ও নগদের মাধ্যমে প্রতারণার শিকার ২০ জন ভুক্তভোগীর মোট ৩ লাখ ৬০ হাজার ২৬০ টাকা উদ্ধার করা হয়। একই সময়ে ফেসবুক, হোয়াটসঅ্যাপ, ইমোসহ বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে হ্যাক হওয়া ২১টি অ্যাকাউন্ট পুনরুদ্ধার করা হয় এবং অনলাইন হয়রানির শিকার আট নারীকে পরামর্শ ও সহায়তা দেওয়া হয়।
সাইবার ক্রাইম ইনভেস্টিগেশন সেলের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, ইউনিটটি গঠনের পর থেকে এ পর্যন্ত মোট ১ হাজার ৫৪৯টি মোবাইল ফোন উদ্ধার করেছে, যার বাজারমূল্য প্রায় ২ কোটি ৩২ লাখ ৩৫ হাজার টাকা। একই সময়ে বিকাশ ও নগদের মাধ্যমে প্রতারণায় হারানো ৪৩ লাখ ৩২ হাজার ৩৯৫ টাকা উদ্ধার করে মালিকদের ফিরিয়ে দেওয়া হয়েছে।
