

হবিগঞ্জ প্রতিনিধি: জনপ্রিয় সাংবাদিক ও কলম সৈনিক মোঃ মামুন চৌধুরী। তিনি ১৯৮৩ সালের ১২ জানুয়ারি হবিগঞ্জ জেলার শায়েস্তাগঞ্জ উপজেলার সাবাসপুর গ্রামে চৌধুরী বাড়িতে জন্মগ্রহণ করেন। ছোটবেলা থেকেই লেখালেখির প্রতি আগ্রহ ছিল তার। শিক্ষাজীবন থেকেই তিনি নিজেকে নিয়োজিত করেন গণমানুষের কথা তুলে ধরার কাজে সাংবাদিকতায়।
২০০০ সালে তিনি সাপ্তাহিক মুক্তপথ পত্রিকায় সাংবাদিকতা শুরু করেন। শুরু থেকেই তথ্যনির্ভর ও জনস্বার্থমূলক প্রতিবেদন তৈরি করে তিনি আলোচনায় আসেন। তার লেখায় সবসময় ফুটে ওঠে সত্য, সততা ও দায়িত্বশীলতা। দীর্ঘ সাংবাদিকতা জীবনে তিনি কাজ করেছেন দেশসেরা অনেক পত্রিকায়। তার লেখার পরিধি ছড়িয়ে আছে জাতীয় থেকে আঞ্চলিক প্রতিটি স্তরে। এই সকল পত্রিকায় তিনি প্রতিনিধি, স্টাফ রিপোর্টার ও প্রতিবেদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করে আসছেন।
২০০৫ সালে সাংবাদিকতার পাশাপাশি নেতৃত্ব গুণেরও স্বাক্ষর রাখেন তিনি। সেই বছর তিনি শায়েস্তাগঞ্জ রিপোর্টার্স ক্লাবের সভাপতি নির্বাচিত হন। তার নেতৃত্বে সংগঠনটি নতুন গতিতে অগ্রসর হয়। সেই সঙ্গে স্থানীয় সাংবাদিকদের মধ্যে ঐক্য ও সচেতনতা বাড়ে। পরবর্তীতে তিনি হবিগঞ্জ জেলা সাংবাদিক ফোরামের প্রথমে সহ-সভাপতি ও পরে নিসিয়র সহ-সভাপতি নির্বাচিত হন। একই সঙ্গে হবিগঞ্জ অনলাইন প্রেসক্লাবের সহ-সভাপতির দায়িত্বে রয়েছেন। দায়িত্ব পালন করছেন সুশাসনের জন্য নাগরিক সুজন জেলা কমিটির যুগ্ম-সম্পাদকের। এছাড়া তিনি বিভিন্ন সামাজিক সংগঠনের সঙ্গে কাজ করেছেন। মোঃ মামুন চৌধুরী সাংবাদিকতায় সবসময়ই গণমানুষের পক্ষে, দুর্নীতিবিরোধী অবস্থানে এবং সত্য প্রকাশে অবিচল রয়েছেন। তিনি মনে করেন, “সাংবাদিকতা শুধু তথ্য প্রচার নয়, এটি একটি সামাজিক দায়িত্ব এবং নৈতিক অঙ্গীকার।”
স্থানীয় ও জাতীয় পর্যায়ে তার কাজ প্রশংসিত হয়েছে বহুবার। তিনি গণমাধ্যম, প্রশাসন, রাজনৈতিক ও সাধারণ মানুষের মাঝে একজন সৎ ও নির্ভরযোগ্য সংবাদকর্মী হিসেবে পরিচিত। সাংবাদিকতার মহান পেশায় তার সততা ও দক্ষতার মাধ্যমে সমাজ ও জাতির কল্যাণে ভূমিকা রাখছে। ক্ষুরধার লেখনির জন্য তিনি মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘর কর্তৃক বজলুর রহমান স্মৃতি পদক ২০২০ ও ২০১৯ সালে হবিগঞ্জ প্রেসক্লাব কর্তৃক সেরা সাংবাদিক নির্বাচিত হন। এসব পদক ছাড়াও সাংবাদিকতায় বিশেষ অবদান রাখায় তিনি বিভিন্ন সম্মাননা পেয়েছেন।ৃ
