ঢাকা
২১শে জুন, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ
দুপুর ১২:৪৫
logo
প্রকাশিত : জুন ২১, ২০২৬

সারাবছর রিটার্ন দাখিলের নতুন প্রস্তাব

নতুন করবর্ষ থেকে ব্যক্তিশ্রেণিতে সারাবছর রিটার্ন দাখিলের প্রস্তাব করা হয়েছে, যেখানে প্রথম প্রান্তিকে জমা দিলে ছাড় দেওয়ার কথা বলেছে সররকার।

আয়কর বিবরণী বা রিটার্ন জমার নির্দিষ্ট সময় বারবার বাড়িয়েও কাঙ্খিত করদাতা না মেলায় ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেট এই প্রস্তাব রাখা হয়েছে।

এজন্য অর্থবিলের মাধ্যমে আয়কর আইনের সংশোধন আনা হয়। সেখানে শর্ত সাপেক্ষে কোনো আয়বর্ষ শেষ হওয়ার পর পরবর্তী করবর্ষের পুরো সময়জুড়ে রিটার্ন দাখিলের সুযোগ রাখা হয়েছে। তবে প্রান্তিক বিবেচনায় কর পরিশোধেরে বিধান আলাদা হবে।

অর্থাৎ, কোন প্রান্তিকে রিটার্ন জমা পড়ছে, তা বিবেচনায় নিয়ে কর বা প্রণোদনার হিসাব করা হবে।

অর্থবিল ২০২৬ এ বলা হয়েছে, ব্যক্তিশ্রেণির করদাতা প্রথম প্রান্তিক যদি ১ জুলাই থেকে ৩০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত হয়, তাহলে ‘দ্রুত’ রিটার্ন দাখিলের জন্য ৫ শতাংশ হারে ছাড় পাবেন। তবে ছাড়ের পরিমাণ হবে সর্বোচ্চ ২৫ হাজার টাকা।

তবে এই কর প্রণোদনা কীভাবে মিলবে তার বিস্তারিত তুলে ধরা হয়নি অর্থবিলে; আয়কর বিশ্লেষকরাও এ নিয়ে শঙ্কার কথা বলছেন।

তাদের মতে, আয়কর পরিশোধের সময়ই এই ছাড় দেওয়াটা ভালো হবে। কিন্তু পুরো কেটে নেওয়ার পর ফেরত দেওয়ার বিষয় হলে অনেকের মধ্যে ফিরে না পাওয়ার শঙ্কা তৈরি হতে পারে। আর জের টানার সুযোগ থাকলে সেটি অনেক করদাতা প্রণোদনা হিসেবে নাও দেখতে পারেন।

অতিরিক্ত কর অগ্রিম বা উৎসে কেটে রাখা হলেও অনেক ক্ষেত্রে ফেরত না পাওয়ার অভিযোগ আছে। ফেরত পাওয়ার জন্য আয়কর কর্মকর্তাদের কাছে আবেদন করা কিংবা ঘুষ লেনদেনের অভিযোগ রয়েছে।

কোনো ব্যক্তিশ্রেণির করদাতা দ্বিতীয় প্রান্তিক, অর্থাৎ ১ অক্টোবর থেকে ৩১ ডিসেম্বরের মধ্যে জমা দিলে ছাড় পাবেন না। তবে অতিরিক্ত করও দিতে হবে না।

যদি তৃতীয় প্রান্তিক, অর্থাৎ ১ জানুয়ারি থেকে ৩১ মার্চ পর্যন্ত রিটার্ন দাখিল করেন তখন, ‘বিলম্বে’ রিটার্ন দাখিলের জন্য জরিমানা দিতে হবে। সেই জরিমানা হবে করের দুই শতাংশ বা সর্বোচ্চ তিন হাজার টাকা।

শেষ প্রান্তিক বা ১ এপ্রিল থেকে ৩০ জুনের মধ্যে দাখিল করলে এই জরিমানা হবে করের পাঁচ শতাংশ কিংবা সর্বোচ্চ পাঁচ হাজার টাকা।

বর্তমান আইন অনুযায়ী একজন করদাতা স্বাভাবিক নিয়মে ৩০ নভেম্বর পর্যন্ত রিটার্ন দাখিল করতে পারেন। এর মধ্যে দাখিল করলে বাড়তি কর দিতে হয় না। এখনকার নিয়মে প্রণোদনারও সুযোগ নাই।

আইন অনুযায়ী, বিশেষ বিবেচনায় সরকার এক মাস করে সময় বাড়াতে পারে। আর এ সুযোগ কাজে লাগিয়ে সময় বাড়ানোর প্রবণতা প্রতি করবর্ষেই দেখা যায়।

আগে এটি ডিসেম্বর বা জানুয়ারি পর্যন্ত হলেও গত করবর্ষে এবং চলতি করবর্ষে এটি ফেব্রুয়ারি ও মার্চে গিয়ে পৌঁছায়।

চলতি করবর্ষে কয়েক দফা সময় বাড়ানোর পর এবারই প্রথম ব্যক্তির রিটার্ন দাখিল অনলাইনে বাধ্যবাধকতা থাকায় ‘অতিরিক্ত ৯০ দিন পর্যন্ত সময়’ পাওয়ার সুযোগ দেয় জাতীয় রাজস্ব বোর্ড-এনবিআর।

বলা হয়, ৩১ মার্চের মধ্যে আবেদন করে বাড়তি এ ৯০ দিন পর্যন্ত রিটার্ন দাখিলের সময় মিলবে; সে অনুযায়ী অনেকেই এ সুযোগ কাজে লাগান। অর্থাৎ, চলতি করবর্ষে কোনো ধরনের জরিমানা ছাড়াই অনেক করদাতা সারাবছর রিটার্ন দাখিল করতে পেরেছেন।

logo
প্রকাশকঃ অধ্যাপক ড. জোবায়ের আলম
ভারপ্রাপ্ত সম্পাদকঃ এডভোকেট মো: গোলাম সরোয়ার
কার্যালয় : বিটিটিসি বিল্ডিং (লেভেল:০৩), ২৭০/বি, তেজগাঁও (আই/এ), ঢাকা-১২০৮
মোবাইল: +88 02-226603507, +88 02-226603508, +880 1713 037 345, +880 1300 126 624
ইমেইল: tbtbangla@gmail.com (online), ads@thebangladeshtoday.com (adv) newsbangla@thebangladeshtoday.com (Print)
বাংলাদেশ টুডে কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত। অনুমতি ছাড়া এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি ও বিষয়বস্তু অন্য কোথাও প্রকাশ করা বে-আইনী।
Copyright © 2026 The Bangladesh Today. All Rights Reserved.
Host by
linkedin facebook pinterest youtube rss twitter instagram facebook-blank rss-blank linkedin-blank pinterest youtube twitter instagram