

তাহিরপুর (সুনামগঞ্জ) প্রতিনিধি: রাতের আঁধারে সুনামগঞ্জের তাহিরপুর উপজেলার সীমান্তবর্তী যাদুকাটা নদীর তীরে কেটে বালু লুটের সময় স্থানীয় জনতা বালু বোঝাই দুইটি স্টিলবডি নৌকা আটক করে পুলিশের হাতে সোপর্দ করেছে। এ ঘটনায় পুলিশ বাদি হয়ে ৬ জনকে আসামি করে তাহিরপুর থানা একটি মামলা দায়ের করেছে।
রবিবার (৩ মে) বিকালে মামলাটি দায়ের করেন তাহিরপুর থানার বাদাঘাট পুলিশ ফাঁড়ির উপপরিদর্শক এএসআই মনজুর আহমেদ। এর পূর্বে ভোরে বাদাঘাট ইউনিয়নের যাদুকাটা নদীর গরকাটি এলাকায় নৌকা দুটি আটক করে এলাকাবাসী।
এর সত্যতা নিশ্চিত করে তাহিরপুর থানার ওসি আমিনুর ইসলাম বলেন, পুলিশ নৌকা দুটি জব্দ করে থানায় নিয়ে আসে এবং বালু মহাল ও মাটি ব্যবস্থাপনা আইন, ২০১০ এর ১৫(১) ধারার অপরাধ তৎসহ পেনাল কোড ৩৭৯ ধারার ৬ নাম উল্লেখ ও ১০/১২ জনকে অজ্ঞাত রেখে মামলা দায়ের করা হয়েছে।
স্থানীয় এলাকাবাসীর ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, ঘাগটিয়া গ্রামের নুরুজ আলীর ছেলে কাহার মিয়া (৩২), গড়কাটি গ্রামের জয়নাল আবেদীনের ছেলে মাসুক মিয়া (৩৮), বাহার মিয়া (২৬) একই গ্রামের ফজু রহমানের ছেলে মোজাহিদ ও শুকুর মাহমুদের ছেলে লাম উদ্দিনসহ ১৫/১৬ জনের একটি বালু খেকো সিন্ডিকেট যাদুকাটা নদীর ঘাগটিয়া জালর টেকের বাঁশ বাগান এলাকার তীরে কেটে দুটি নৌকা বালু বোঝাই করে। এই খবর পেয়ে বাদাঘাট পুলিশ ফাঁড়ির উপপরিদর্শক এএসআই মনজুর আহমেদসহ সঙ্গীও ফোর্স যাদুকাটা নদীতে অভিযান চালালে বালু খেকো সিন্ডিকেট চক্রটি নৌকা নিয়ে পালিয়ে যায়।
পরে স্থানীয় এলাকাবাসীর সহযোগিতায় ভোরে যাদুকাটা নদীর গরকাটি এলাকায় গিয়ে নৌকা দুটি আটক করে বালু বোঝাই নৌকা দুটি জব্দ করে থানায় নিয়ে যায়।
এর সত্যতা নিশ্চিত করেছেন তাহিরপুর থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোঃ আমিনুল ইসলাম। তিনি আরও জানান, এ ঘটনায় পুলিশ বাদি হয়ে বালু মহাল ও মাটি ব্যবস্থাপনা আইন, ২০১০ এর ১৫(১) ধারার অপরাধ তৎসহ পেনাল কোড ৩৭৯ ধারার ৬ নাম উল্লেখ ও ১০/১২ জনকে অজ্ঞাত রেখে মামলা দায়ের করে।

