

চাঁপাইনবাবগঞ্জ প্রতিনিধি: চাঁপাইনবাবগঞ্জের নাচোলে গাছের ডাল কাটাকে কেন্দ্র করে বিরোধের জেরে ইউনিয়ন পরিষদ ও চেয়ারম্যানের বাড়ির বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করায় পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির অফিসে ভাঙচুরের ঘটনা ঘটেছে। মঙ্গলবার রাতে ইউপি চেয়ারম্যানের উপস্থিতিতে তার সমর্থকরা এ ভাঙচুরের ঘটনা ঘটায়।
পুলিশ ও স্থানীয়রা জানান, মঙ্গলবার বিকালে নাচোল উপজেলার কসবা ইউনিয়ন সংলগ্ন একটি বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানে বিদ্যুৎ সংযোগ দেয়ার সুবিধার্থে কয়েকটি গাছের ডালপালা কেটে ফেলে পল্লীবিদ্যুৎ সমিতির কর্মীরা। এ নিয়ে কসবা ইউপি চেয়ারম্যান মোঃ জাকারিয়া আল মেহরাব ও তার সমর্থকদের সঙ্গে তর্কাতর্কি হয় পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির কর্মীদের। এক পর্যায়ে পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির কর্মীরা ক্ষুব্ধ হয়ে ইউনিয়ন পরিষদ ও চেয়ারম্যানের বাড়ির বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে দিয়ে চলে আসেন।
পরে চেয়ারম্যান ও তার সমর্থকরা বিদ্যুৎ অফিসে যান ঘটনার প্রতিবাদ জানাতে। সেখানে পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির কর্মীদের সঙ্গে চেয়ারম্যান ও তার সমর্থকদের বাগবিতণ্ডা হয়। এক পর্যায়ের চেয়ারম্যানের সমর্থকরা পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির অফিসের গ্লাস ও চেয়ারসহ আসবাবপত্র ভাঙচুর করে। পরে পুলিশ এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।
এদিকে পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির উপ-মহাব্যবস্থাপক আব্দুর রহিম বলেন, গাছেল ডাল কাটার কারণে আমাদের কর্মীদের লাঞ্ছিত করা হয়। এর রাগে তারা বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে। যদিও তারা কাজটি ঠিক করেনি। আমি ঘটনার জন্য চেয়ারম্যানের কাছে দুঃখ প্রকাশ করেছি এবং রাতে পুনঃসংযোগের ব্যবস্থা করেছি। এরপরও তার কর্মী-সমর্থকরা পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির কার্যালয়ে ভাঙচুর করে। বিষয়টি আমরা স্থানীয়ভাবে মীমাংসার চেষ্টা করছি।
অন্যদিকে কসবা ইউপি চেয়ারম্যান মোঃ জাকারিয়া আল মেহরাব মুঠোফোনে ঘটনার বর্ণনা দেয়ার এক পর্যায়ে ব্যস্ত আছেন বলে সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে দেন। পরে আর তার সঙ্গে যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি।
নাচোল থানার ওসি সুকোমল চন্দ্র দেবনাথ বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত সময়ের মধ্যে পল্লী বিদ্যুৎ অফিসে যায় এবং পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। দুই পক্ষই স্থানীয়ভাবে বিষয়টি মীমাংসা করে নিতে চান। তাই কোন পক্ষই থানায় লিখিত অভিযোগ দেননি।

