

চার মাস অন্তর্বর্তীকালীন দায়িত্ব পালন করার পর এবার পূর্ণ মেয়াদের জন্য বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) প্রেসিডেন্ট হতে যাচ্ছেন সাবেক জাতীয় দলের অধিনায়ক আমিনুল ইসলাম বুলবুল। সোমবার (৬ অক্টোবর) রাজধানীর একটি পাঁচতারকা হোটেলে অনুষ্ঠিত হবে বিসিবির পরিচালনা পর্ষদ নির্বাচন। নির্বাচিত পরিচালকদের ভোটে বুলবুলের প্রেসিডেন্ট হওয়া প্রায় নিশ্চিত বলে ধারণা করা হচ্ছে।
তবে বিসিবি নির্বাচন ঘিরে নানা নাটকীয়তা দেখা দিয়েছে। অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রভাব ও সরকারি হস্তক্ষেপের অভিযোগে বেশ কয়েকজন প্রার্থী নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ালেও বুলবুল বিষয়টি অস্বীকার করেছেন। বরং তিনি স্পষ্ট করেছেন, মাঠের ক্রিকেটের চেয়ে বোর্ড চালানো আরও কঠিন, আর সেখানে অনেক নো বল হয়ে গেছে।
চার মাসের দায়িত্ব শেষে গতকাল মিরপুর শেরেবাংলা স্টেডিয়ামে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে বুলবুল বলেন, বাংলাদেশ ক্রিকেটের জন্য আমার চালিয়ে যাওয়া দরকার। যদি কখনো মনে হয় আমি যথেষ্ট ভালো নই, আমি যেকোনো সময় চলে যেতে আগ্রহী।
তিনি আরও জানান, সরকারের যুব ও ক্রীড়া উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া নির্বাচনকে সুষ্ঠু করতে প্রার্থীদের সঙ্গে বসেছিলেন। তবে এটিকে নিজের জন্য বিশেষ কোনো সুবিধা হিসেবে দেখছেন না তিনি।
বিসিবি নির্বাচন থেকে কিছু ক্লাব সরে যাওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হলেও তা মোকাবিলায় আশাবাদী বুলবুল। তার ভাষায়, ক্লাবের বিকল্প নেই। তাদের অবদান অবিশ্বাস্য। চেষ্টা করব তাদের ম্যানেজ করতে। ঘুরেফিরে আমরা তো একই সমাজের মানুষ।
চার মাসের অন্তর্বর্তী দায়িত্বে জাতীয় দলের সাফল্যকে বোর্ডের অর্জন বলে দাবি করেন তিনি। খেলোয়াড় জীবনে বাউন্সার সামলানো বুলবুল এবার প্রশাসনিক চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায়ও আত্মবিশ্বাসী।
ওখানে (মাঠে) টেকনিক থাকে একটার বেশি বাউন্সার দেওয়া যায় না, নো বল করা যায় না। এখানে অনেক নো বল হয়ে গেছে, অনেক বিমার এসেছে, নো বল দেওয়া হয়নি।
