

যুক্তরাজ্যের আরএএফ ফেয়ারফোর্ড বিমানঘাঁটিতে কথিত হামলার ষড়যন্ত্রে ইরানের সংশ্লিষ্টতার ‘জোরালো ইঙ্গিত’ রয়েছে বলে জানিয়েছেন ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী অ্যান্ডি বার্নহাম। তবে তেহরান এ অভিযোগ অস্বীকার করেছে।
বুধবার বিবিসিকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে বার্নহাম বলেন, ফেয়ারফোর্ডে গত সপ্তাহে যা ঘটেছে, তাতে ইরানের ভূমিকার জোরালো ইঙ্গিত পাওয়া গেছে। তবে পুলিশের তদন্ত এখনো চলছে এবং পরে বিস্তারিত জানানো হবে।
রবিবার বিমানঘাঁটির কাছে সন্ত্রাসবাদ ও বিস্ফোরক-সংক্রান্ত অভিযোগে ২০-এর কোঠায় থাকা পাঁচ ব্রিটিশ নাগরিককে গ্রেপ্তার করা হয়। পরদিন তাদের জামিনে মুক্তি দেওয়া হয়। তদন্তে তাদের ব্যবহৃত তিনটি গাড়িতে কোনো বিস্ফোরক পাওয়া যায়নি। তবে পুলিশ সেখান থেকে উল্লেখযোগ্য পরিমাণ পেট্রল জব্দ করেছে।
ব্রিটিশ কাউন্টার টেররিজম পুলিশের কর্মকর্তা লরেন্স টেলর বলেন, তদন্তে বিদেশি কোনো রাষ্ট্রের হয়ে সন্দেহভাজনরা জেনে বা না জেনে কাজ করেছেন কি না, সেটিও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
এর আগে মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও বলেছিলেন, কথিত এই পরিকল্পনায় একটি বিদেশি রাষ্ট্রের সংশ্লিষ্টতা থাকতে পারে। প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পও সন্দেহভাজনদের সঙ্গে তেহরানের সম্পৃক্ততার ইঙ্গিত দেন এবং তাদের জামিনে মুক্তির সমালোচনা করেন।
তবে ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি অভিযোগ প্রত্যাখ্যান করে বলেন, ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী ভুল জায়গায় খুঁজছেন। লন্ডনে ইরানি দূতাবাসও এ অভিযোগকে ভিত্তিহীন বলে নিন্দা জানিয়েছে।
এদিকে দ্য টাইমসের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গ্রেপ্তারের আগে সন্দেহভাজনদের একজন জরুরি সেবা নম্বরে ফোন করেছিলেন। তদন্তকারীরা ওই ফোনকলটি পরিকল্পনার অংশ ছিল, নাকি তিনি শেষ মুহূর্তে সরে যেতে চেয়েছিলেন, তা খতিয়ে দেখছেন।
সূত্র: আলজাজিরা
