

লোকমান হোসেন পলা, কসবা (ব্রাহ্মণবাড়িয়া) প্রতিনিধি: ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবায় স্কুল শিক্ষিকাকে অপহরণ চেষ্টার অভিযোগে কসবা পশ্চিম ইউনিয়ন ছাত্রদলের সভাপতি দেলোয়ার হোসেন জিন্নাহকে দ্রুত গ্রেপ্তারের দাবিতে মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে।
এ সময় অভিযুক্তকে আগামী ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে গ্রেপ্তার করা না হলে কসবা থানা ঘেরাওসহ কঠোর কর্মসূচির ঘোষণা দিয়েছেন এলাকাবাসী।
রোববার (৪ অক্টোবর) দুপুরে আকছিনা-কুল্লাবাড়ী মডার্ণ স্কুলের সামনে শিক্ষক-শিক্ষার্থী, অভিভাবক ও এলাকাবাসীর উদ্যোগে এ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়।
মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, গত ২৮ সেপ্টেম্বর স্কুল ছুটি শেষে বাড়ি ফেরার পথে ওই শিক্ষিকার পথরোধ করে অপহরণের চেষ্টা করা হয় বলে অভিযোগ রয়েছে। এ ঘটনায় ওই দিন সন্ধ্যায় কসবা থানায় দেলোয়ার হোসেন জিন্নাহর বিরুদ্ধে অভিযোগ করেন ভুক্তভোগী শিক্ষিকা। ছয় দিনেও অভিযুক্ত গ্রেপ্তার না হওয়ায় শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মধ্যে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।
অভিযোগে বলা হয়, দেলোয়ার হোসেন একটি কালো রঙের পিস্তল শিক্ষিকার পেটে ঠেকিয়ে ভয়ভীতি দেখিয়ে তাকে জোরপূর্বক সিএনজিতে তুলে নেন। পরে সুযোগ বুঝে চলন্ত সিএনজি থেকে লাফিয়ে পড়ে চিৎকার করলে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করেন বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।
মানববন্ধনে বক্তব্য দেন আকছিনা মাদ্রাসার অধ্যক্ষ নুরুল আমিন মোল্লা, খন্দকার জাহাঙ্গীর আলম, খন্দকার আজাদ মিয়া, ছাত্রদল নেতা খন্দকার সাদ্দাম হোসেন, খন্দকার রনি, খন্দকার জসিম উদ্দিন, শাহআলম জমাদ্দার, হাজী নুরুল আমিন, হাজী শামিম আহমেদ, কাজী জিলানী ভূইয়া, শামিম রেজা, শিশু ভূইয়া ও বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক রফিকুল ইসলাম। এ সময় বিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থী-অভিভাবক ও এলাকার সর্বস্তরের জনগণ উপস্থিত ছিলেন।
তবে অভিযোগ অস্বীকার করে দেলোয়ার হোসেন জিন্নাহ বলেন, তিনি ওই শিক্ষিকাকে অপহরণের চেষ্টা করেননি। সম্পর্কের কারণে তাকে নিয়ে সিএনজিতে ঘুরতে বের হয়েছিলেন। রাজনৈতিক প্রতিপক্ষরা তাকে হেয় করতে মিথ্যা অভিযোগ করছে।
কসবা থানার ওসি আলী মোহাম্মদ রাশেদ বলেন, ভুক্তভোগী শিক্ষিকার অভিযোগ গ্রহণ করা হয়েছে। অভিযুক্তকে গ্রেপ্তারে পুলিশ অভিযান চালাচ্ছে। আশা করছি, দ্রুত তাকে গ্রেপ্তার করা সম্ভব হবে।
