ঢাকা
logo
প্রকাশিত : September 3, 2026

গোপালগঞ্জে পুকুরে বিষ প্রয়োগ, ১০ লাখ টাকার মাছ নিধন

গোপালগঞ্জ প্রতিনিধি: গোপালগঞ্জের সদর উপজেলার দূগার্পুর ইউনিয়নের খাটিয়াগড় গ্রামে পুকুরে ওষুধ প্রয়োগ করে ১০ লাখ টাকার মাছ নিধনের অভিযোগ উঠেছে। পুকুরের মালিক নাসির উদ্দিন ফকিরের সঙ্গে পূর্ব শত্রতার জেরে প্রতিবেশি মোর্শেদ শেখ এই ক্ষতিসাধন করেছে। ঘটনার পর মোর্শেদকে হাতেনাতে ধরার দাবি করেছে নাসির উদ্দিন ফকিরের ছোট ছেলে সাজ্জাদ ফকির। এই ঘটনায় পুকরে চাষ করা কই মাছ মরে এবং পঁচে ভেসে উঠেছে এবং চারিদিকে প্রচন্ড দুর্গন্ধ ছড়িয়েছে। পুকুরে চাষ করা প্রায় ২ লাখ প্রাপ্তবয়স্ক কই মাছের ৮০ শতাংশ মরে গেছে বলে দাবি পুকুর মালিকের।

পুকুর মালিকের ছেলে সাজ্জাদ ফকির জানান, বুধবার (০২ সেপ্টেম্বর) বিকেল সাড়ে ৫ টার দিকে মোর্শেদ শেখ পলিথিন থেকে বিষাক্ত ট্যাবলেট পুকুরে ছুড়ে মারে। এসময় সে মোর্শেদকে ধরতে এগিয়ে গেলে মোর্শেদ তাকে কিল-ঘুষি মেরে পালিয়ে যায়। এই ঘটনায় স্থানীয়রা এগিয়ে আসার পর সাজ্জাদ ফকির তাদের নিয়ে অভিযুক্তের হাত থেকে ফেলে দেয়া পলিথিনের প্যাকেট পরীক্ষা করে বিষাক্ত পদার্থের আলামত পায় বলে জানান সাজ্জাদ ফকির।

পুকুরের পার্শ্ববর্তী বাসিন্দা মো: সুমন ফকির বলেন, তিনি অভিযুক্ত মোর্শেদের সঙ্গে সাজ্জাদ ফকিরের বাকবিতন্ডা শুনে এগিয়ে যান এবং মোর্শেদের ফেলে দেয়া পলিথিন শুকে বিষাক্ত পদার্থ ছিলে বলে ধারনা করেন। ঘটনার পর বৃহস্পতিবার সকাল থেকে পুকুরে অজস্র মাছ মরে মরে ভেসে উঠেছে এবং দুর্গন্ধ ছড়াচ্ছে বলে জানান তিনি।

পুকুর মালিক নাসির উদ্দিন ফকির বলেন, তিনি ৩ মাস আগে তার এই ৮১ শতাংশের পুকুরে ২ লাখ কই মাছের পোনা ছাড়েন। এরপর তিনি এই মাছের খাবার ও পরিচর্যার জন্য অনেক টাকা খরচ করেছেন। সব মিলিয়ে তার ৭ থেকে ৮ লাখ টাকা খরচ হয়েছে। এই মাছ মরে যাওয়ায় তার ১০ রাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে বলে তিনি দাবি করেন। তিনি এই ঘটনা মোর্শেদ শেখকে দোষী দাবি করে তার দৃষ্টান্তমূলক শাক্তি দাবি করেন।

এদিকে পুকুর মালিক নাসির উদ্দিন ফকিরের লিখিত অভিযোগের ভিত্তিতে গোপালগঞ্জ থানা-পুলিশ ও সদর উপজেলা সহকারী মৎস্য কর্মকর্তা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন।

গোপালগঞ্জ সদর থানার ওসি মোঃ আমিনুল ইসলাম বলেছেন, ক্ষতিগ্রস্থ পুকুর মালিক নাসির উদ্দিন ফকিরের লিখিত আবেদনের প্রেক্ষিতে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠিয়েছি। তদন্তপূর্বক আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

সিনিয়র সদর উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা দেবলা চক্রবর্তী বলেছেন, নাসির উদ্দিন ফকিরের লিখিত অভিযোগের ভিত্তিতে আমি আমার সহকারী কর্মকর্তাকে ঘটনাস্থলে পাঠিয়েছিলাম। তিনি পরিদর্শন প্রতিবেদন দিলে পরবর্তী কার্যক্রম গ্রহন করা হবে।

সর্বশেষ
logo
প্রকাশকঃ অধ্যাপক ড. জোবায়ের আলম
ভারপ্রাপ্ত সম্পাদকঃ এডভোকেট মো: গোলাম সরোয়ার
কার্যালয় : বিটিটিসি বিল্ডিং (লেভেল:০৩), ২৭০/বি, তেজগাঁও (আই/এ), ঢাকা-১২০৮
মোবাইল: +88 02-226603507, +88 02-226603508, +880 1713 037 345, +880 1300 126 624
ইমেইল: tbtbangla@gmail.com (online), ads@thebangladeshtoday.com (adv) newsbangla@thebangladeshtoday.com (Print)
বাংলাদেশ টুডে কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত। অনুমতি ছাড়া এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি ও বিষয়বস্তু অন্য কোথাও প্রকাশ করা বে-আইনী।
Copyright © 2026 The Bangladesh Today. All Rights Reserved.
Host by
linkedin facebook pinterest youtube rss twitter instagram facebook-blank rss-blank linkedin-blank pinterest youtube twitter instagram