

হবিগঞ্জ প্রতিনিধি: হবিগঞ্জের শায়েস্তাগঞ্জ উপজেলা পরিষদের মাসিক আইনশৃঙ্খলা কমিটির সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন হবিগঞ্জ-৩ আসনের সংসদ সদস্য আলহাজ্ব জি কে গউছ।
বৃহস্পতিবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে উপজেলা পরিষদ সভাকক্ষে আয়োজিত এ সভায় উপজেলা প্রশাসনের বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা, আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর প্রতিনিধিসহ স্থানীয় জনপ্রতিনিধিরা অংশগ্রহণ করেন। সভায় এলাকার সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি, অপরাধ নিয়ন্ত্রণ, মাদকবিরোধী কার্যক্রম, সড়ক নিরাপত্তা এবং জননিরাপত্তা বিষয়ক বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ দিক নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়।
সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এমপি আলহাজ্ব জি কে গউছ বলেন, দীর্ঘ ১৭ বছর পর আমাদের প্রিয় মাতৃভূমিতে একটি শান্তিপূর্ণ, সুষ্ঠু, অবাধ ও নিরপেক্ষ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে। এটি শুধু একটি নির্বাচন নয় এটি গণতন্ত্রের বিজয়, জনগণের ইচ্ছার প্রতিফলন এবং ন্যায় ও সত্যের জয়গান। এই নির্বাচনে জনগণ ভয়ভীতি ও প্রভাবমুক্ত পরিবেশে তাদের মূল্যবান ভোটাধিকার প্রয়োগ করেছেন। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী, নির্বাচন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা-কর্মচারী এবং সচেতন নাগরিকদের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় একটি গ্রহণযোগ্য ও অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন সম্ভব হয়েছে। আজ আমরা গর্বের সাথে বলতে পারি, জনগণই রাষ্ট্রের মালিক আর তাদের রায়ই চূড়ান্ত। এই নির্বাচন প্রমাণ করেছে যে, ঐক্য, সহনশীলতা ও পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ থাকলে গণতন্ত্রের পথ কখনো বন্ধ হয় না।
তিনি বলেন, শায়েস্তাগঞ্জের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে প্রশাসন, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও জনসাধারণকে সমন্বিতভাবে কাজ করতে হবে। তিনি মাদক, চুরি, ছিনতাই ও সামাজিক অপরাধ দমনে কঠোর পদক্ষেপ গ্রহণের ওপর জোর দেন এবং জনগণের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট সকলকে আরও সতর্ক থাকার আহ্বান জানান।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মোঃ নাহিদ হোসেনের সভাপতিত্বে সভায় বক্তব্য রাখেন- নূরপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আলহাজ্ব গোলাম কিবরিয়া চৌধুরী বেলাল, শায়েস্তাগঞ্জ ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান আব্দুস শহিদ, উপজেলা বিএনপির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি ফজলুল করিম,সাধারণ সম্পাদক আবু তাহের, পৌর বিএনপির সভাপতি সাবেক মেয়র এমএফ আমেদ অলি, সাধারণ সম্পাদক আলহাজ্ব আব্দুল মজিদ, পৌর যুবদলের আহবায়ক প্রভাষক কামরুল হাসান, সদস্য সচিব ফাহিন হোসেন, প্রেসক্লাব সভাপতি মঈনুল হাসান রতন, সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ কামরুল হাসানসহ বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা, সুধীজন। সভার শেষে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি আরও উন্নত করতে গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়।
