ঢাকা
২৪শে এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ
রাত ৯:৪৭
logo
প্রকাশিত : এপ্রিল ১১, ২০২৬

জ্বালানি সংকটের মধ্যে সোলার পণ্যের বিক্রি চাঙা

‘লোডশেডিং যেভাবে বাড়ছে এতে গরমে পরিবারের লোকজনের কষ্ট হবে। তাই সৌর বিদ্যুৎ প্যানেল কিনে বাড়িতে রেখে আসবো। বিদ্যুৎ চলে গেলেও যাতে সৌর বিদ্যুৎ দিয়ে চাহিদা মেটানো যায়। পরিবারের কষ্ট না হয়।’

কথাগুলো বলছিলেন রাজধানীর একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের চাকরিজীবী মোহাম্মদ আলী খোকন। নিজে ঢাকায় থাকলেও পরিবার থাকে গ্রামের বাড়ি বরগুনায়।

খোকন আরও বলেন, ‘খবরে দেখছি ইরান যুদ্ধ আরও দীর্ঘস্থায়ী হওয়ার আশঙ্কা আছে। এমনিতেই জ্বালানি সংকট। এরপর গ্রামে লোডশেডিং বেড়েছে। গরমে বৃদ্ধ বাবা-মা আর ছোট বাচ্চা কষ্ট পাচ্ছে। সামনে নাকি আরও লোডশেডিং বাড়তে পারে। তাই সৌর বিদ্যুৎ প্যানেলসহ কিনলাম। বাড়িতে নিয়ে সেটিং করে দিয়ে আসবো।’

শুধু খোকন নন, এমন অনেকেই সৌর বিদ্যুতের দিকে ঝুঁকছেন। বৃহস্পতিবার (৭ এপ্রিল) দুপুরে রাজধানীর গুলিস্তান, কাপ্তানবাজার এলাকার সোলার পণ্যের দোকানে বাড়তি ভিড় দেখা যায়।

মঈন রহমান নামে আরেকজন ক্রেতা বলেন, সৌর বিদ্যুৎ ছাড়া এখন উপায় দেখছি না। গ্রামে এমনিতেই বিদ্যুৎ কম থাকে। গরমে লোডশেডিং বাড়বে। এজন্য কিনতে এলাম। আগামী সপ্তাহে এগুলো বাড়িতে নিয়ে যাবো।

শুধু বৈশ্বিক এই প্রেক্ষাপটে নয়, সাধারণ সময়ে জ্বালানির দিকে মানুষের আগ্রহ থাকার কথা। কিন্তু মানুষ এতদিন চাপে পড়েনি, এখন চাপে পড়ে করছে। এটি আগে থেকে স্বাভাবিকভাবেই করা উচিত ছিল। আমরা নবায়নযোগ্য জ্বালানির প্রসারে ২০২৫ সালে একটি পলিসি করেছিলাম। সেই অনুযায়ী সব ধরনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।-স্রেডার নবায়নযোগ্য জ্বালানি উন্নয়ন বিভাগের পরিচালক (উপসচিব) প্রকৌ. মো. মুজিবুর রহমান

দেশের জ্বালানি খাতে চলমান অস্থিরতার মধ্যে বিদ্যুতে লোডশেডিং শুরু হয়েছে। এতেই গত কয়েকদিনে সোলার বা সৌর বিদ্যুৎ সংক্রান্ত পণ্যের বিক্রি চাঙা বলে জানিয়েছেন বিক্রেতারা। এছাড়া অনেক দিন থেকে যারা সৌর বিদ্যুৎ ব্যবহার করছেন তাদের ক্ষেত্রে ব্যাটারি, স্ট্রাকচার, চার্জ কন্ট্রোলার কিনতে দেখা গেছে। তবে বেশিরভাগ ক্রেতা পুরো এক সেট হিসেবে কিনছেন।

মিজানুর নামের আরেক ক্রেতা বলেন, সৌর প্যানেলের ব্যাটারি নষ্ট হয়ে গেছে। কয়েক মাস ধরে বন্ধ ছিল। এজন্য ব্যাটারি কিনতে এলাম। ওটা আবার চালু করতে হবে।

প্যাকেজে বিক্রি বেশি
সরেজমিনে মার্কেট ঘুরে দেখা যায়, সোলার সামগ্রী প্যাকেজ আকারেই বেশি বিক্রি হচ্ছে। কার্যক্ষমতা ভেদে এর দামও নির্ধারণ করা হয়েছে ভিন্ন ভিন্ন।

১০০ ওয়াট সোলার প্যানেল (২০ বছরের গ্যারান্টিসহ) একটি, ৩০ অ্যাম্পিয়ার ব্যাটারি (৫ বছরের ওয়ারেন্টিসহ) একটি, ব্যাটারি ক্যাবল এক সেট, স্ট্রাকচার এক সেট, ৭০-৭৬ প্যানেল ক্যাবল ১০ ফুট, ২৩-৭৬ ক্যাবল এক কয়েল, ১০ অ্যাম্পিয়ার চার্জ কন্ট্রোলার এক পিস, বাল্ব/টিউব সাত পিস, ১৬ ইঞ্চি টেবিল ফ্যান একটি, ১২ ইঞ্চি টেবিল ফ্যান একটি এবং ক্যাবল ক্লিপ এক বক্স- পুরো প্যাকেজ বিক্রি হচ্ছে ১৪ হাজার থেকে ১৬ হাজার টাকায়।

৬৫ ওয়াট সোলার প্যানেল (২০ বছরের গ্যারান্টিসহ) একটি, ৩০ অ্যাম্পিয়ার ব্যাটারি (৫ বছরের ওয়ারেন্টিসহ) একটি, ব্যাটারি ক্যাবল এক সেট, স্ট্রাকচার এক সেট, ৭০-৭৬ প্যানেল ক্যাবল ১০ ফুট, ২৩-৭৬ ক্যাবল এক কয়েল, ১০ অ্যাম্পিয়ার চার্জ কন্ট্রোলার এক পিস, বাল্ব/টিউব পাঁচ পিস, ১৬ ইঞ্চি টেবিল ফ্যান একটি এবং ক্যাবল ক্লিপ এক বক্স- পুরো প্যাকেজ বিক্রি হচ্ছে ১২ হাজার থেকে ১৪ হাজার টাকায়।

১০০ ওয়াট সোলার প্যানেল (২০ বছরের গ্যারান্টিসহ) একটি, ৩০ অ্যাম্পিয়ার ব্যাটারি (৫ বছরের ওয়ারেন্টিসহ) একটি, ব্যাটারি ক্যাবল এক সেট, স্ট্রাকচার এক সেট, ৭০-৭৬ প্যানেল ক্যাবল ১০ ফুট, ২৩-৭৬ ক্যাবল এক কয়েল, ১০ অ্যাম্পিয়ার চার্জ কন্ট্রোলার এক পিস, বাল্ব/টিউব সাত পিস, ৫৬ ইঞ্চি সিলিং ফ্যান একটি, ১৬ ইঞ্চি টেবিল ফ্যান একটি এবং ক্যাবল ক্লিপ এক বক্স- পুরো প্যাকেজ বিক্রি হচ্ছে ১৭ হাজার থেকে ১৯ হাজার টাকায়।

১৫০ ওয়াট সোলার প্যানেল (২০ বছরের গ্যারান্টিসহ) একটি, ১০০ অ্যাম্পিয়ার ব্যাটারি (৫ বছরের ওয়ারেন্টিসহ) একটি, ব্যাটারি ক্যাবল এক সেট, স্ট্রাকচার এক সেট, ৭০-৭৬ প্যানেল ক্যাবল ১০ ফুট, ২৩-৭৬ ক্যাবল এক কয়েল, ১০ অ্যাম্পিয়ার চার্জ কন্ট্রোলার এক পিস, বাল্ব/টিউব সাত পিস, ৫৬ ইঞ্চি সিলিং ফ্যান একটি, ১৬ ইঞ্চি টেবিল ফ্যান দুটি এবং ক্যাবল ক্লিপ এক বক্স- পুরো প্যাকেজ বিক্রি হচ্ছে ৩২ হাজার থেকে ৩৫ হাজার টাকায়।

বাংলাদেশের নবায়নযোগ্য জ্বালানির সম্ভাবনা বিশ্বের অনেক দেশের চেয়েও ভালো। আমাদের সূর্যের তাপ এবং আবহাওয়া, নবায়নযোগ্য জ্বালানি একেবারে আমাদের হাতের কাছে। এটা কাজে লাগিয়ে নবায়নযোগ্য জ্বালানি খাতে আমরা অনেকদূর এগিয়ে যেতে পারি।-জ্বালানি বিশেষজ্ঞ ড. বদরূল ইমাম

১৫০ ওয়াট সোলার প্যানেল (২০ বছরের গ্যারান্টিসহ) একটি, ৬০ অ্যাম্পিয়ার ব্যাটারি (৫ বছরের ওয়ারেন্টিসহ) একটি, ব্যাটারি ক্যাবল এক সেট, স্ট্রাকচার এক সেট, ৭০-৭৬ প্যানেল ক্যাবল ১০ ফুট, ২৩-৭৬ ক্যাবল এক কয়েল, ১০ অ্যাম্পিয়ার চার্জ কন্ট্রোলার এক পিস, বাল্ব/টিউব সাত পিস, ১৬ ইঞ্চি টেবিল ফ্যান দুটি, ১২ ইঞ্চি টেবিল ফ্যান একটি এবং ক্যাবল ক্লিপ এক বক্স- পুরো প্যাকেজ বিক্রি হচ্ছে ২০ হাজার থেকে ২২ হাজার টাকায়।

২০০ ওয়াট সোলার প্যানেল (২০ বছরের গ্যারান্টিসহ) একটি, ১৩০ অ্যাম্পিয়ার ব্যাটারি (৫ বছরের ওয়ারেন্টিসহ) একটি, ব্যাটারি ক্যাবল এক সেট, স্ট্রাকচার এক সেট, ৭০-৭৬ প্যানেল ক্যাবল ১০ ফুট, ২৩-৭৬ ক্যাবল এক কয়েল, ১০ অ্যাম্পিয়ার চার্জ কন্ট্রোলার এক পিস, বাল্ব/টিউব সাত পিস, ১৬ ইঞ্চি টেবিল ফ্যান দুটি, ৫৬ ইঞ্চি সিলিং ফ্যান একটি এবং ক্যাবল ক্লিপ এক বক্স এই পুরো প্যাকেজ বিক্রি হচ্ছে ৩৬ হাজার থেকে ৩৯ হাজার টাকায়।

সোলার হাইব্রিড ইনভার্টার ১০০০ ভিএ একটি, হ্যামকো/ভলভো ব্যাটারি ১৪০ এএইচ একটি, সোলার ৬০০ ওয়াট তিন পিস, সোলার স্ট্রাকচার তিন সেট এবং সোলার টু ইনভার্টার ক্যাবলস ১০ গজের দাম ৭৫ হাজার টাকা। এতে ব্যবহার করা যাবে তিনটি সিলিং ফ্যান, ১০টি লাইট, দুটি টিভি, এক সেট রাউটার এবং তিন পয়েন্টের মোবাইল চার্জিং সিস্টেম।

সোলার হাইব্রিড ইনভার্টার ১২০০ ভিএ একটি, হ্যামকো/ভলভো ব্যাটারি ২০০ এএইচ একটি, সোলার ৮০০ ওয়াট চার পিস, সোলার স্ট্রাকচার তিন সেট এবং সোলার টু ইনভার্টার ক্যাবলস ১০ গজের দাম ৮০ হাজার টাকা। এতে ব্যবহার করা যাবে ৫টি সিলিং ফ্যান, ১৫টি লাইট, দুটি টিভি, এক সেট রাউটার এবং তিন পয়েন্টের মোবাইল চার্জিং সিস্টেম।

গুলিস্তানের হৃদয় ইলেকট্রিকের দোকানি হৃদয় হোসেন বলেন, সোলার লাইট, ব্যাটারি এসবের চাহিদা বেড়েছে। আগে সারাদিন বসে থাকতাম বললেই চলে। গত কয়েকদিন হলো বিক্রি সন্তোষজনক।

কাপ্তানবাজারের আঁখি সোলার বাজার মেশিনারিজের ম্যানেজার মোহাম্মদ ইয়াসীন বলেন, কয়েকদিন হলো চাহিদা বেশি। অনেক ক্রেতা আসছেন। আমরা প্যাকেজ আকারে বেশি বিক্রি করছি। এতে ক্রেতাদের বুঝতে সুবিধা হয় কয়টা লাইট বা ফ্যান চলবে, বা টেলিভিশন চলবে কি না। সেই অনুযায়ী ক্রেতারা প্যাকেজ কিনছেন। আমাদের বিক্রিও বেশ ভালো হচ্ছে।

আরেক সোলার প্যানেল ব্যবসায়ী সিদ্দিকুর রহমান আমিন বলেন, হঠাৎ আমাদের ব্যবসা কিছুটা বেড়েছে। গ্রামে এখন লোডশেডিং বেশি হচ্ছে। এজন্য অনেকেই সৌর বিদ্যুতে ঝুঁকছেন।

টেকসই ও নবায়নযোগ্য জ্বালানি উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (স্রেডা) নবায়নযোগ্য জ্বালানি উন্নয়ন বিভাগের পরিচালক (উপসচিব) প্রকৌশলী মো. মুজিবুর রহমান বলেন, ‘শুধু বৈশ্বিক এই প্রেক্ষাপটে নয়, সাধারণ সময়ে জ্বালানির দিকে মানুষের আগ্রহ থাকার কথা। কিন্তু মানুষ এতদিন চাপে পড়েনি, এখন চাপে পড়ে করছে। এটি আগে থেকে স্বাভাবিকভাবেই করা উচিত ছিল। আমরা নবায়নযোগ্য জ্বালানির প্রসারে ২০২৫ সালে একটি পলিসি করেছিলাম। সেই অনুযায়ী সব ধরনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।’

আমদানি করা জীবাশ্ম জ্বালানির ওপর অধিক নির্ভরতার ফলে বৈশ্বিক জ্বালানি সরবরাহ ঝুঁকিতে পড়ায় বাংলাদেশ সবচেয়ে খারাপ অবস্থায় রয়েছে। বিশ্ব বাণিজ্যের জন্য গুরুত্বপূর্ণ সামুদ্রিক চোকপয়েন্টগুলো (সংকীর্ণ জলপথ) প্রায়ই ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে ওঠায় বাংলাদেশের জ্বালানি নিরাপত্তা চরম সংকটে ফেলেছে বলে নতুন এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে আন্তর্জাতিক নীতি গবেষণা প্রতিষ্ঠান ই৩জি। গত ৩১ মার্চ প্রতিবেদনটি প্রকাশ করা হয়।

প্রতিবেদনে গবেষকরা বলেন, বৈশ্বিক সংকটগুলো বারবার প্রমাণ করেছে আমদানিনির্ভর জ্বালানি কতটা ঝুঁকিপূর্ণ। এ সংকট কাটাতে দ্রুত নবায়নযোগ্য জ্বালানিতে রূপান্তর করতে হবে।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বৈশ্বিক তেল ও গ্যাস বাণিজ্য হরমুজ প্রণালির মতো সংকীর্ণ জলপথের ওপর স্থায়ীভাবে নির্ভরশীল। বাংলাদেশের মতো যেসব দেশ আমদানি করা তেল ও এলএনজির ওপর ব্যাপকভাবে নির্ভরশীল, তাদের জন্য এ ধরনের পথ সাময়িকভাবে নয়, বরং ঘন ঘন ঝুঁকি তৈরি করে। এমনকি পর্যাপ্ত তেল-গ্যাস উৎপাদন ও সরবরাহ থাকলেও এই ঝুঁকি এড়ানো সম্ভব নয়।

এই সংকটে শুধু একমুখী নয়, বরং বাংলাদেশ বহুমাত্রিক ঝুঁকির মধ্যে রয়েছে। স্বল্পমেয়াদে সংকট মোকাবিলার সীমিত সক্ষমতা দেশটিকে বিশেষভাবে ঝুঁকিপূর্ণ করে তুলেছে। ফলে যে কোনো ধরনের বিঘ্ন, ভৌত বা আর্থিক, দ্রুত মূল্যবৃদ্ধি, সরবরাহ অনিশ্চয়তা এবং সামষ্টিক অর্থনীতিতে চাপ সৃষ্টি করতে পারে।

প্রতিবেদনটি আরও জানায়, জ্বালানি সরবরাহে বিঘ্ন এখন শুধু ভৌত প্রতিবন্ধকতার মধ্যেই সীমাবদ্ধ নেই। তথাকথিত ‘পেপার চোকপয়েন্ট’—যেমন জাহাজ চলাচলে সীমাবদ্ধতা, বিমা সুবিধা প্রত্যাহার, নীতিগত জটিলতা বা জলবায়ুজনিত কারণ—সরবরাহ পুরোপুরি বন্ধ না হলেও বাজারকে দ্রুত অস্থির করে তুলতে পারে। ফলে বাংলাদেশের মতো দেশের জ্বালানি ব্যয় বেড়ে যেতে পারে এবং বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভে চাপ সৃষ্টি হতে পারে।

প্রতিবেদনে ই৩জি এর জ্বালানি রূপান্তর কর্মসূচির প্রধান মারিয়া পোস্তুকোভা বলেন, বাংলাদেশ চোকপয়েন্ট ঝুঁকির একেবারে সামনের সারিতে অবস্থান করছে। আমদানি করা জ্বালানির ওপর ক্রমবর্ধমান নির্ভরতার পাশাপাশি সীমিত আর্থিক ও সিস্টেমিক সুরক্ষার ফলে বৈশ্বিক যে কোনো সংকট বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ সংকটে রূপ নেয়।’

তিনি বলেন, ‘অগ্রাধিকার হওয়া উচিত শুধু চলমান হরমুজ প্রণালির অচলাবস্থার মতো ধাক্কা সামাল দেওয়া নয়, কারণ এটি বাংলাদেশের জন্য শেষ চোকপয়েন্ট সংকট নয়। মূল লক্ষ্য হওয়া উচিত জ্বালানি দক্ষতা বৃদ্ধি, বিদ্যুতায়ন ও দেশীয় পরিচ্ছন্ন জ্বালানির মাধ্যমে ঝুঁকি কমানো, যা আন্তর্জাতিক অর্থায়ন ও অংশীদারত্বের সহায়তায় বাস্তবায়নযোগ্য করা দরকার।’

বিশ্বের অনেক দেশের চেয়ে বাংলাদেশে নবায়নযোগ্য জ্বালানির সম্ভাবনা অনেক ভালো উল্লেখ করে জ্বালানি বিশেষজ্ঞ ড. বদরূল ইমাম বলেন, ‘বাংলাদেশের নবায়নযোগ্য জ্বালানির সম্ভাবনা বিশ্বের অনেক দেশের চেয়েও ভালো। আমাদের সূর্যের তাপ এবং আবহাওয়া, নবায়নযোগ্য জ্বালানি একেবারে হাতের কাছে। এটা কাজে লাগিয়ে নবায়নযোগ্য জ্বালানি খাতে আমরা অনেকদূর এগিয়ে যেতে পারি। ইউরোপে অনেক সময় মেঘাচ্ছন্ন থাকে, তাদের চেয়ে সূর্যালোক আমাদের অনেক বেশি। তারা (ইউরোপ) তো নবায়নযোগ্য জ্বালানি দিয়ে উঠে এসেছে। সেই পথেই আমাদের যাওয়া উচিত।’

সুত্র: জাগো নিউজ

সর্বশেষ
logo
প্রকাশকঃ অধ্যাপক ড. জোবায়ের আলম
ভারপ্রাপ্ত সম্পাদকঃ এডভোকেট মো: গোলাম সরোয়ার
কার্যালয় : বিটিটিসি বিল্ডিং (লেভেল:০৩), ২৭০/বি, তেজগাঁও (আই/এ), ঢাকা-১২০৮
মোবাইল: +88 02-226603507, +88 02-226603508, +880 1713 037 345, +880 1300 126 624
ইমেইল: tbtbangla@gmail.com (online), ads@thebangladeshtoday.com (adv) newsbangla@thebangladeshtoday.com (Print)
বাংলাদেশ টুডে কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত। অনুমতি ছাড়া এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি ও বিষয়বস্তু অন্য কোথাও প্রকাশ করা বে-আইনী।
Copyright © 2026 The Bangladesh Today. All Rights Reserved.
Host by
linkedin facebook pinterest youtube rss twitter instagram facebook-blank rss-blank linkedin-blank pinterest youtube twitter instagram