

শরীয়তপুর প্রতিনিধি: শরীয়তপুর সদর হাসপাতালে রোগীর জন্য ইনজেকশন সংগ্রহকে কেন্দ্র করে এক স্টাফ নার্সকে মারধর ও নার্সদের কক্ষের আসবাব ভাঙচুরের অভিযোগ উঠেছে এক রোগীর স্বজনের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় মুয়াজ নামের ওই ব্যক্তিকে আটক করেছে পালং মডেল থানা পুলিশ।
শনিবার সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে হাসপাতালের দ্বিতীয় তলায় নার্সদের কক্ষে এ ঘটনা ঘটে।
হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, অসুস্থ স্ত্রীকে চিকিৎসার জন্য শনিবার সন্ধ্যায় শরীয়তপুর সদর হাসপাতালে নিয়ে আসেন মুয়াজ। চিকিৎসক রোগীকে হাসপাতালে ভর্তি করার পর প্রয়োজনীয় ওষুধ ও ইনজেকশন সংগ্রহের জন্য তাঁর স্বজনকে একটি টোকেন দেওয়া হয়।
হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার (আরএমও) মিতু আক্তার বলেন, হাসপাতালে প্রয়োজনীয় ইনজেকশন মজুত না থাকায় বাইরে থেকে ইনজেকশন সংগ্রহের জন্য রোগীর স্বজনকে টোকেন দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু তিনি ফার্মেসি থেকে ইনজেকশনের পরিবর্তে ট্যাবলেট নিয়ে আসেন। এ নিয়ে কর্তব্যরত নার্সের সঙ্গে তাঁর কথা-কাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে ওই ব্যক্তি নার্সকে মারধর করেন এবং নার্সদের কক্ষে থাকা একটি চেয়ার ভাঙচুর করেন।
হাসপাতাল সূত্র আরও জানায়, ঘটনার সময় কর্তব্যরত স্টাফ নার্স জান্নাতী রহমানের সঙ্গে মুয়াজের বাগ্বিতণ্ডা হয়। পরে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হলে তাঁকে মারধর করা হয় বলে অভিযোগ রয়েছে।
ঘটনার খবর পেয়ে পালং মডেল থানা পুলিশের একটি দল হাসপাতালে গিয়ে মুয়াজকে আটক করে থানায় নিয়ে যায়।
পালং মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শাহ আলম বলেন, সদর হাসপাতালে ঘটনার পর মুয়াজকে আটক করা হয়েছে। এ ঘটনায় মামলা দায়েরের প্রক্রিয়া চলছে। আটক মুয়াজ শরীয়তপুর সদর উপজেলার বিনোদপুর এলাকার বাসিন্দা।
