ঢাকা
১১ই জুলাই, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ
বিকাল ৩:৪৯
logo
প্রকাশিত : জুলাই ১১, ২০২৬

জুলাই আন্দোলনে আহতদের সেবা দিয়েছিলেন ঢামেকের চিকিৎসকরা

ঢাকা মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল (ঢামেক) ইতিহাসের জীবন্ত সাক্ষী বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি বলেন, ঢামেক ১৯৫২, ১৯৭১, ১৯৯০ সালের আন্দোলনে অবদান রেখেছিল। সর্বশেষ ২০২৪ সালের জুলাই আন্দোলনে ঢামেকের প্রত্যেক চিকিৎসক, কর্মকর্তা-কর্মচারী সেই আন্দোলনের সাথে ওতপ্রোতভাবে জড়িয়ে গিয়েছিলেন, সেদিন আহত-শহীদ মানুষগুলোর পাশে তারা দাঁড়িয়েছিলেন, চিকিৎসা দিয়েছিলেন।

শনিবার (১১ জুলাই) ডিএমসি ডে-২০২৬ এবং বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি একথা বলেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ডাক্তাররা জনগণের পরম বন্ধু, ভরসার জায়গা। মানুষ বিপদে পড়লে ডাক্তারের কাছে যায়। চিকিৎসকরাই রোগ-শোকে কাতর মানুষের পরম বন্ধু হয়ে ওঠেন। এই কথাটি আমি আমার জীবনেও উপলব্ধি করেছি।

তিনি আরও বলেন, দেশের প্রখ্যাত চিকিৎসকরাই বহু বছর ধরে আমার মায়ের চিকিৎসা করেছেন। মৃত্যুর আগমুহূর্ত পর্যন্ত তারা সর্বোচ্চ আন্তরিকতা ও মানবিকতার সঙ্গে তার পাশে ছিলেন। বিদেশে নেওয়ার বিষয়ে আলোচনা হলেও আমার বিশ্বাস ছিল, উন্নত যন্ত্রপাতি সেখানে থাকলেও এই মানবিক সেবা পাওয়া যেত না। শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত দেখেছি, তারা কী অসাধারণ নিষ্ঠায় মায়ের সেবা করেছেন। তাদের প্রতি আমি আন্তরিকভাবে কৃতজ্ঞ।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, হাসপাতালে চিকিৎসক, নার্স ও স্বাস্থ্যকর্মীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সসহ বিভিন্ন হাসপাতালে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে। হাসপাতালগুলোতে ১০ জন করে আনসার সদস্য মোতায়েনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে রোগীদের সেবা বাড়াতে ৫ হাজার এমবিবিএস চিকিৎসক নিয়োগের কার্যক্রম শুরু হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, একইসঙ্গে নার্স, মেডিকেল টেকনোলজিস্ট, ফার্মাসিস্ট, মিডওয়াইফসহ অন্যান্য স্বাস্থ্যকর্মীর শূন্য পদ দ্রুত পূরণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। নিরাপদ মাতৃত্ব ও মানসম্মত নবজাতক সেবা নিশ্চিত করতে সরকারি পর্যায়ে আরও ২৫ হাজার মিডওয়াইফ নিয়োগের পরিকল্পনাও নেওয়া হয়েছে।

দেশে প্রায় ৬০০টি উপজেলা থাকলেও এর মধ্যে মাত্র পাঁচটিতে ১০০ শয্যার হাসপাতাল রয়েছে উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, অথচ দেশের ৭০ শতাংশেরও বেশি মানুষ গ্রাম ও উপজেলা পর্যায়ে বসবাস করেন, আর শহরাঞ্চলে বাস করেন মাত্র ২৫ থেকে ৩০ শতাংশ মানুষ। তাই গ্রামীণ স্বাস্থ্যসেবা আরও শক্তিশালী করা জরুরি।

বক্তব্যের শেষে প্রধানমন্ত্রী বলেন, একজন রাজনৈতিক কর্মী ও সরকারের দায়িত্বে থাকা ব্যক্তি হিসেবে বর্তমান ও ভবিষ্যৎ চিকিৎসকদের প্রতি আমার আহ্বান, প্রতি বছর চিকিৎসার জন্য বাংলাদেশ থেকে প্রায় ৫ বিলিয়ন ডলার বিদেশে চলে যাচ্ছে।

তিনি আরও বলেন, লাখো মানুষ উন্নত চিকিৎসার আশায় বিদেশে যাচ্ছেন। এতে মূল্যবান বৈদেশিক মুদ্রাও ব্যয় হচ্ছে। আসুন, আমরা এমন একটি স্বাস্থ্যব্যবস্থা গড়ে তুলি, যাতে দেশের মানুষ আস্থার সঙ্গে দেশেই উন্নত চিকিৎসা নিতে পারেন এবং বিদেশমুখিতা কমে আসে।

সর্বশেষ
logo
প্রকাশকঃ অধ্যাপক ড. জোবায়ের আলম
ভারপ্রাপ্ত সম্পাদকঃ এডভোকেট মো: গোলাম সরোয়ার
কার্যালয় : বিটিটিসি বিল্ডিং (লেভেল:০৩), ২৭০/বি, তেজগাঁও (আই/এ), ঢাকা-১২০৮
মোবাইল: +88 02-226603507, +88 02-226603508, +880 1713 037 345, +880 1300 126 624
ইমেইল: tbtbangla@gmail.com (online), ads@thebangladeshtoday.com (adv) newsbangla@thebangladeshtoday.com (Print)
বাংলাদেশ টুডে কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত। অনুমতি ছাড়া এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি ও বিষয়বস্তু অন্য কোথাও প্রকাশ করা বে-আইনী।
Copyright © 2026 The Bangladesh Today. All Rights Reserved.
Host by
linkedin facebook pinterest youtube rss twitter instagram facebook-blank rss-blank linkedin-blank pinterest youtube twitter instagram