ঢাকা
logo
প্রকাশিত : January 11, 2026

বঙ্গোপসাগর থেকে রহস্যজনকভাবে উধাও এলপিজিবাহী ‘ক্যাপ্টেন নিকোলাস’

‘ক্যাপ্টেন নিকোলাস’ নামে তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাস (এলপিজি) পরিবাহী ট্যাংকার জাহাজটিকে নিষেধাজ্ঞা দেয় যুক্তরাষ্ট্রের অর্থ মন্ত্রণালয়ের অধীন অফিস অব ফরেন অ্যাসেটস কন্ট্রোল (ওএফএসি)। ইরানি জ্বালানি পরিবহনের অভিযোগ এনে গত বছরের ৯ অক্টোবর যখন নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয় তখন জাহাজটি বাংলাদেশে অবস্থান করছিল।

এরপর জাহাজটি নিয়ে কোনো আলোচনা না থাকলেও চট্টগ্রাম বন্দরের বার্থিং লিস্টে এখনো রয়ে গেছে ক্যাপ্টেন নিকোলাসের নাম। মানে দাঁড়ায় কাগজে-কলমে জাহাজটি এখনো চট্টগ্রাম বন্দরে অবস্থান করছে। বার্থিং লিস্টের তথ্য অনুযায়ী, জাহাজটিতে ৪২ হাজার ৯২৪ টন এলপিজি ছিল। বার্থিং লিস্ট হলো বন্দরে অবস্থানরত জাহাজের তথ্য যুক্ত তালিকা। যেখানে জাহাজের সবশেষ পোর্ট, পতাকা, বাহিত পণ্যের নাম, পরিমাণ, আগমনের তারিখ, লোকাল এজেন্টের নাম থাকে।

সম্প্রতি এলপিজি নিয়ে সংকট তৈরি হলে তথ্য পর্যালোচনা করতে গিয়ে জানা যায়, বন্দরের বার্থিং লিস্টে নাম থাকলেও জাহাজটি বাংলাদেশে নেই। কখন বাংলাদেশ ছেড়েছে সুনির্দিষ্ট কোনো তথ্যও নেই চট্টগ্রাম বন্দরের কাছে। জাহাজটির বাংলাদেশের স্থানীয় প্রতিনিধি বলছেন, তাদের অবগত না করেই গত ১৫ নভেম্বরের আগে বাংলাদেশ ত্যাগ করে জাহাজটি। বর্তমান অবস্থান সম্পর্কেও তারা জানেন না বলে নিশ্চিত করা হয়। জাহাজটির পরিবাহিত গ্যাস সম্পর্কে বক্তব্য দিতে রাজি হয়নি এলপিজি অপারেটরস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (লোয়াব)।

জাহাজটি নিয়ে আন্তর্জাতিক অ্যাডমিরালটি আদালতে মামলা ছিল। আদালতের আদেশে জাহাজটি আটকও করা হয়। ইতোমধ্যে মামলা নিষ্পত্তি হয়ে গেছে। শুনেছি কয়েকদিন আগে জাহাজটি চলে গেছে।- বন্দরের পরিচালক (প্রশাসন) মো. ওমর ফারুক

চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ, নৌ-বাণিজ্য অধিদপ্তরসহ সংশ্লিষ্ট একাধিক সূত্রে জানা যায়, ২০২৪ সালের ৭ অক্টোবর ৪৪ হাজার ৯২৫ টন এলপিজি নিয়ে চট্টগ্রাম বন্দরে আসে ক্যাপ্টেন নিকোলাস। জাহাজটির লোকাল এজেন্ট (স্থানীয় প্রতিনিধি) সিওয়েভ মেরিন সার্ভিস। পরের ১৩ অক্টোবর বিএলপিজি সোফিয়া নামে আরেকটি ট্যাংকারে এলপিজি খালাসের সময় দুই জাহাজেই আগুন ধরে যায়। এতে ক্যাপ্টেন নিকোলাস সামান্য ক্ষতিগ্রস্ত হলেও বিএলপিজি সোফিয়ার মারাত্মক ক্ষতিসাধিত হয়।

ঘটনা তদন্তে ওইদিন বন্দর কর্তৃপক্ষের সদস্য (হার্বার অ্যান্ড মেরিন) কমোডর এম ফজলার রহমানকে আহ্বায়ক করে আট সদস্যের কমিটি গঠন করা হয়। তবে কমিটির প্রতিবেদনে কী উঠে এসেছে তা গণমাধ্যমে প্রকাশ করা হয়নি। তখন থেকেই অভিযোগ ছিল জাহাজটি ইরানি এলপিজি নিয়ে বাংলাদেশে এসেছিল।

এদিকে ২০২৫ সালের এপ্রিলে দুটি অ্যাডমিরালটি (সামুদ্রিক বিষয়াদি সম্পর্কিত আইন) মামলায় জাহাজটিকে আটক করা হয়। আইনি জটিলতায় কয়েক মাস আটক থাকার পর গত ৫ সেপ্টেম্বর জাহাজটি পুনরায় গ্যাস স্থানান্তরের অনুমতি দেওয়া হয়। এর মধ্যে ৯ অক্টোবর জাহাজটিকে নিষেধাজ্ঞা দেয় ওএফএসি। গ্যাস আদৌ স্থানান্তর হয়েছে কি না কিংবা কী হলো সেটা নিয়ে তথ্য দিতে পারছেন না কেউই।

পোর্ট ক্লিয়ারেন্স ছাড়াই বন্দর ত্যাগ
ওএফএসির নিষেধাজ্ঞার এক মাস চারদিন পর গত ১৩ নভেম্বর চট্টগ্রাম বন্দরের পিসি (পোর্ট ক্লিয়ারেন্স) ছাড়াই চলে যায় ক্যাপ্টেন নিকোলাস। এ ঘটনায় সিওয়েভ মেরিন সার্ভিসের পক্ষ থেকে গত ২৩ নভেম্বর কক্সবাজার জেলার কুতুবদিয়া থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করা হয়। প্রতিষ্ঠানের এক্সিকিউটিভ অপারেশন মনোয়ার পারভেজ জিডিটি করেন।

বন্দরের পরিচালক (প্রশাসন) মো. ওমর ফারুক বলেন, ‘ক্যাপ্টেন নিকোলাস এলপিজি নিয়ে বাংলাদেশে এসেছিল। পরে এলপিজি স্থানান্তরের সময়ে জাহাজটিতে আগুন লাগে। এরপরে জাহাজটি নিয়ে আন্তর্জাতিক অ্যাডমিরালটি আদালতে মামলা ছিল। আদালতের আদেশে জাহাজটি আটকও করা হয়। ইতোমধ্যে মামলা নিষ্পত্তি হয়ে গেছে। শুনেছি কয়েকদিন আগে জাহাজটি চলে গেছে।’

গত ১৬ নভেম্বর থেকে জাহাজটির হদিস মিলছে না। এজন্য আমরা বন্দর, কোস্টগার্ড, নেভিসহ সংশ্লিষ্ট সব পক্ষকে লিখিত জানিয়েছি। এরপর প্রিন্সিপালকে মেইল করেছি, তারা আমাদের কোনো রিপ্লাই দিচ্ছে না। কুতুবদিয়া থানায় জিডি করেছি।- সিওয়েভ মেরিন সার্ভিসের জেনারেল ম্যানেজার মঈন ছিদ্দিক

যুক্তরাষ্ট্রের ট্রেজারি থেকে জাহাজটির বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞা দেওয়ার বিষয়টি তিনি অবগত হয়েছেন নিশ্চিত করলেও বন্দরের বার্থিং লিস্টে ক্যাপ্টেন নিকোলাসের নাম থাকার বিষয়ে কোনো সদুত্তর দিতে পারেননি। তিনি বন্দরের হারবার মাস্টারের সঙ্গে কথা বলার জন্য পরামর্শ দেন।

পরে কথা হয় বন্দরের হারবার মাস্টার ক্যাপ্টেন জহিরুল ইসলামের সঙ্গে। ইরানি এলপিজি পরিবহনের অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘২০২৪ সালে জাহাজটি এসেছিল। তখন অভিযোগটি ওঠে। এর তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়। আমরা জাহাজটি ভিজিট করেছি। ওই অভিযোগ তো তখন নিষ্পত্তি হয়ে গেছে। এরপর জাহাজটির খবর আমি রাখিনি। কারণ আমাদের কাজ হলো বন্দরে জাহাজ প্রবেশ ও বের হওয়ার ক্ষেত্রে পাইলটিং দেওয়া। বড় জাহাজগুলো চট্টগ্রাম বন্দরে প্রবেশ করতে পারে না।’

তিনি বলেন, ‘বার্থিং লিস্টে ক্যাপ্টেন নিকোলাসের নাম থাকলেও জাহাজটি এখন চট্টগ্রাম বন্দরে নেই।’ তিনি জাহাজটির বিষয়ে নৌ-বাণিজ্য অধিদপ্তরের প্রিন্সিপাল অফিসারের সঙ্গে যোগাযোগ করার পরামর্শ দেন।

নৌ-বাণিজ্য অধিদপ্তরের প্রিন্সিপাল অফিসার ক্যাপ্টেন সাব্বির মাহমুদ বলেন, ‘কোনো জাহাজ বন্দরে প্রবেশের আগে ২৪-৪৮ ঘণ্টার মধ্যে ঘোষণা দিতে হয়। আবার বন্দর ছেড়ে যেতে পিসি (পোর্ট ক্লিয়ারেন্স) নিতে হয়। ক্যাপ্টেন নিকোলাসে ২০২৪ সালে যখন আগুন লাগে তখন একটি কমিটি গঠন করেছিল বন্দর কর্তৃপক্ষ। ওই কমিটিতে আমাদের একজন শিপ সার্ভেয়ার সদস্য হিসেবে ছিলেন। বিষয়টি ওই সময়ে নিষ্পত্তি হয়েও পরে জাহাজটি মামলা জটিলতায় পড়ে।’ কিন্তু জাহাজটি বাংলাদেশে অবস্থানকালীন নাম ও পতাকা পরিবর্তনের বিষয়ে তিনি জানেন না বলে জানান।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে সিওয়েভ মেরিন সার্ভিসের সিইও শেখ সামিদুল ইসলাম বলেন, ‘ক্যাপ্টেন নিকোলাস সম্পর্কে বক্তব্য দেবে বন্দর।’ পরে নির্বাচনি ব্যস্ততার কথা জানিয়ে তিনি লাইন কেটে দেন। এরপর গত তিনদিন একাধিকবার ফোন করলেও তিনি রিসিভ করেননি।

পরে কথা হয় সিওয়েভ মেরিন সার্ভিসের জেনারেল ম্যানেজার মঈন ছিদ্দিকের সঙ্গে। তিনি বলেন, ‘বন্দর থেকে জাহাজটির পিসি (পোর্ট ক্লিয়ারেন্স) নেওয়া হয়নি। পিসি না নিলে বন্দরের বার্থিং লিস্টে নাম রয়ে যায়। প্রিন্সিপাল (জাহাজের মালিক) আমাদের পিসি নিতে বলেননি। গত ১৬ নভেম্বর থেকে জাহাজটির হদিস মিলছে না। এজন্য আমরা বন্দর, কোস্টগার্ড, নেভিসহ সংশ্লিষ্ট সব পক্ষকে লিখিত জানিয়েছি। এরপর প্রিন্সিপালকে মেইল করেছি, তারা আমাদের কোনো রিপ্লাই দিচ্ছে না। কুতুবদিয়া থানায় জিডি করেছি।’

জাহাজটি উধাও হয়ে যাওয়ার ঘটনায় ২৩ নভেম্বর করা জিডিতে উল্লেখ করা হয়, ক্যাপ্টেন নিকোলাস জাহাজটি ২০২৫ সালের ৭ অক্টোবর ১৩টি এলপিজি কনসাইমেন্ট মিলে ৪২ হাজার ৯২৫ টন এলপিজি নিয়ে কুতুবদিয়া বহির্নোঙরে আসে। আসার পর থেকে লোকাল এজেন্টের সঙ্গে ইমেইল, হোয়াটসঅ্যাপ এ নিয়মিত যোগাযোগ ছিল। কিন্তু গত ১৬ নভেম্বর থেকে ক্যাপ্টেন নিকোলাসের মাস্টারের কাছ থেকে ইমেইল বা হোয়াটসঅ্যাপে যোগাযোগ করে কোনো উত্তর পাওয়া যাচ্ছে না।

ওই সময়ে কক্সবাজারের কুতুবদিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ছিলেন মো. আরমান হোসেন। তিনি বর্তমানে চট্টগ্রামের রাঙ্গুনিয়া থানার ওসি হিসেবে কর্মরত। ওসি আরমান হোসেন বলেন, ‘ক্যাপ্টেন নিকোলাস নামের জাহাজটি নির্ধারিত স্থানে না পাওয়ায় লোকাল এজেন্টের পক্ষ থেকে কুতুবদিয়া থানায় লিখিত জানানো হয়। এরপর পুলিশের একটি টিম স্পিডবোটে ঘটনাস্থল ও আশপাশে পরিদর্শন করে জাহাজটির হদিস পায়নি। পরে আমরা বিষয়টি জিডি হিসেবে এন্ট্রি করেছি।’

জাহাজটি চট্টগ্রাম বন্দরে এসেছিল ২০২৪ সালের ৭ অক্টোবর। কিন্তু থানার জিডিতে ২০২৫ সাল উল্লেখ করার বিষয়ে জানতে চাওয়া হলে সিওয়েভ মেরিন সার্ভিসের জেনারেল ম্যানেজার মঈন ছিদ্দিক বলেন, ‘বিষয়টি ভুলবশত হয়েছিল।’

চট্টগ্রাম বন্দরে অবস্থানকালীন সময়ে নাম ও ফ্ল্যাগ পরিবর্তন- যুক্তরাষ্ট্রের ট্রেজারি তাদের নিষেধাজ্ঞায় ক্যাপ্টেন নিকোলাসের নাম ‘আদা’ এবং পূর্বনাম ‘ক্যাপ্টেন নিকোলাস’ হিসেবে উল্লেখ করেন। (জাহাজটির আইএমও ৯০০৮১০৮)। কিন্তু জাহাজটি ২০২৪ সালের ৭ অক্টোবর বাংলাদেশে আসার সময় ক্যাপ্টেন নিকোলাস হিসেবে এসেছিল। তখন জাহাজটি তানজানিয়ার পতাকা বহন করছিল।

বৈশ্বিক জাহাজ ট্র্যাকিং ওয়েবসাইট মেরিন ট্রাফিকের তথ্য অনুযায়ী বর্তমানে জাহাজটির নাম ‘আদা’। বর্তমানে বতসোয়ানার পতাকা বহন করছে। সবশেষ তথ্য অনুযায়ী জাহাজটি বর্তমানে মালাক্কা প্রণালির মধ্য দিয়ে চীনের দিকে যাচ্ছে। মেরিটাইমঅপটিমা বলছে, জাহাজটি ১৮ ডিসেম্বর আরব আমিরাতের খোর ফাক্কান বন্দরে পৌঁছে। এটি ২৫ ডিসেম্বর চীনের উদ্দেশ্যে আরব আমিরাত ছেড়েছে।

একই আইএমও নম্বর হলেও ভ্যাসেল ট্র্যাকার বলছে, জাহাজটির বর্তমান নাম কালাস্তিন। সেখানেও এটিকে বতসোয়ানার পতাকাবাহী হিসেবে উল্লেখ করা হয়। মঈন ছিদ্দিক বলেন, ‘জাহাজটি ক্যাপ্টেন নিকোলাস নামে বাংলাদেশে এসেছিল। জাহাজটি ওমানের সোহার বন্দর থেকে আসে। তখন জাহাজটি তানজানিয়ার পতাকা বহন করছিল। সবশেষ গত বছরের ১২ নভেম্বর পর্যন্ত আমাদের সঙ্গে জাহাজের ক্যাপ্টেনের যোগাযোগ হয়েছে। তখন পর্যন্ত জাহাজের নাম ও পতাকা পরিবর্তনের বিষয়ে আমাদের জানানো হয়নি। একেক সাইটে একেক নাম ও ফ্ল্যাগ দেখা যাচ্ছে।’

জানা যায়, ১৯৯২ সালে জাহাজটি তৈরি করা হয়। ২০২২ সাল পর্যন্ত এটির নাম ছিল সানি গ্রিন। ২০২২ সালের ফেব্রুয়ারিতে ক্যাপ্টেন নিকোলাস নামকরণ হয়। ২০২৫ সালের আগস্ট মাসে ‘আদা’ নাম ধারণ করে জাহাজটি।

ইরানি এলপিজি পরিবহনের অভিযোগ
ক্যাপ্টেন নিকোলাস জাহাজটি ২০২৪ সালের ৭ অক্টোবর যখন বাংলাদেশে আসে তখন পরিবহন করা এলপিজি ইরানি বলে আলোচনায় আসে। তবে বন্দর কর্তৃপক্ষ তদন্ত করে অভিযোগের সত্যতা পাননি। ২০২৫ সালের ৮ অক্টোবর যখন জাহাজটিকে নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয় তখন ইরানি এলপিজি বহনের বিষয়টি নতুন করে সামনে আসে।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে বন্দরের পরিচালক (প্রশাসন) মো. ওমর ফারুক বলেন, ‘ক্যাপ্টেন নিকোলাস জাহাজটি আসার পর অভিযোগ ওঠায় আমরা বিষয়টি তদন্ত করে দেখেছি। তখন জাহাজের ডকুমেন্ট পর্যালোচনা করে অভিযোগের সত্যতা পাওয়া যায়নি।’

স্থানীয় এজেন্ট সিওয়েব মেরিনের জেনারেল ম্যানেজার মঈন ছিদ্দিক বলেন, ‘এখন আমেরিকা বলছে, এগুলো ইরানি গ্যাস। আমরা বলতে পারবো না- আসলে কী হয়েছে। আমাদের কাছে পাঠানো ডকুমেন্ট অনুযায়ী জাহাজটির লোডিং পোর্ট ছিল সোহার, ওমান।’

সর্বশেষ
logo
প্রকাশকঃ অধ্যাপক ড. মো: জোবায়ের আলম
ভারপ্রাপ্ত সম্পাদকঃ এডভোকেট মো: গোলাম সরোয়ার
কার্যালয় : বিটিটিসি বিল্ডিং (লেভেল:০৩), ২৭০/বি, তেজগাঁও (আই/এ), ঢাকা-১২০৮
মোবাইল: +88 02-226603507, +88 02-226603508, +880 1713 037 345, +880 1300 126 624
ইমেইল: tbtbangla@gmail.com (online), ads@thebangladeshtoday.com (adv) newsbangla@thebangladeshtoday.com (Print)
বাংলাদেশ টুডে কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত। অনুমতি ছাড়া এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি ও বিষয়বস্তু অন্য কোথাও প্রকাশ করা বে-আইনী।
Copyright © 2026 The Bangladesh Today. All Rights Reserved.
Host by
linkedin facebook pinterest youtube rss twitter instagram facebook-blank rss-blank linkedin-blank pinterest youtube twitter instagram