যন্ত্রনায় কাতরাচ্ছিললাম, লজ্জায় চিৎকার করতে পারিনি: জবি ছাত্রী

6850785184_c0e02d54c4_b

রাশিদুল হাসান, জবি প্রতিবেদক।
“গাড়িটি গুলিস্তান পৌছা মাত্র মাজারের সামনে হটাৎ হার্টব্রেক করলো, সঙ্গে সঙ্গে কয়েকজন হুমড়ি খেয়ে পড়ল আমার গায়ের ওপর, তীব্র আঘাতে চোখের জল গড়িয়ে পড়ছিল, কাঁদতে পারিনি লজ্জায়,আভিমানী কণ্ঠে জানালেন জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের( জবি) একজন মেয়ে শিক্ষার্থী, তিনি অণির্বান বাসে মিরপুর থেকে জবিতে আসা-যাওয়া করেন।
গাড়িতে উঠতে গিয়ে দেখি পা ফেলার জো নেই, সামনে প্রসাদরক্ষীর মত ছেলেদের গা ঘেষে ভিতরে গিয়ে, বাসের রড ধরে বানরের মত ঝুলে যাওয়ার সুযোগটি অবশ্য পেয়েছিলাম। তিনি আরো যোগ করতে গিয়ে বলেন, ‘আমাদের বাসের প্রতিদিনের চরিত্র একই।আমাদের কষ্টের কথা শোনার কোন লোক নেই।’


খবর নিয়ে জানা যায় মিরপুর টু জবি ঐ দ্বিতল বাসটিতে আসন সংখা ৮০ টি, শিক্ষার্থী যাতায়াত করে ১৫০ জন। বাসের ওপরের তলা ছেলেদের জন্য ও নিচের তলায় মেয়েদের জন্য বরাদ্দ, তার মধ্যে আবার বাস কমিটির জন্য বরাদ্দ ১০ টি।
জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় বাস পরিচালক মোঃ মনিরুজ্জামান বলেন, পরিবহণ সমস্যা আমাদের অনেক দিনের সমাধানে সময় লাগবে।
মেঘনা গ্রুপ কতৃক শিক্ষার্থীদের বাসের কথা জিজ্ঞেস করা হলে তিনি বলেন, এ বিষয়ে আমার জানা নেই।
অপরদিকে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রভাবশালী একজন শিক্ষক নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানান, পরিবহণ সমস্যাটি ছাএ-ছাত্রীদের একার নয়, শিক্ষকদের মানসম্মত কোন বাস নেই।অন্যা বিশ্ববিদ্যালয়ে পরিবহন সমস্যা মূলত ভিসি মহোদয়রা সমাধান করে থাকেন, আমরাই এর ব্যতিক্রম। যদিও আমাদের পর্যাপ্ত বরাদ্দ আছে কিন্তু নেই কোন বাস্তবায়ন!


*

*

Top