অভিযোগের প্রাথমিক সত্যতা পাওয়া গেছে

Monirul_Islam

টিবিটি জাতীয়: বনানীর ধর্ষণ মামলার আসামিদের জিজ্ঞাসাবাদে অভিযোগের প্রাথমিক সত্যতা পাওয়া গেছে বলে জানিয়েছেন ঢাকা মহানগর পুলিশের অতিরিক্ত কমিশনার মনিরুল ইসলাম।তিনি বলেছেন, চার আসামিকে রিমান্ডে নিয়ে এবং গতকাল রাতে গ্রেপ্তার নাঈম আশরাফ ওরফে হাসান মোহাম্মদ হালিমকে জিজ্ঞাসাবাদে তারা অভিযোগের প্রাথমিক সত্যতা পেয়েছেন।বৃহস্পতিবার মহানগর পুলিশের কার্যালয়ে এক সংবাদ ব্রিফিংয়ে মনিরুল এ কথা বলেন।

নাঈমকে আরও জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে বলে তিনি জানান।বনানীর ঘটনায় দায়ের হওয়া মামলার প্রধান আসামি আপন জুয়েলার্সের মালিকের ছেলে সাফাত আহমেদ ও তার বন্ধু সাদমান শাফিককে গত ১১ মে সিলেট থেকে গ্রেপ্তার করা হয়।তিন দিন পর ঢাকা থেকে গ্রেপ্তার করা হয় অপর দুই আসামি সাফাতের দেহরক্ষী রহমত আলী এবং গাড়িচালক বিল্লাল হোসেনকে। এই চারজন রিমান্ডে অভিযোগ অনেকটা স্বীকার করেছে জানিয়ে মনিরুল বলেন, তাদের দেওয়া তথ্য যাচাই বাছাই করা হচ্ছে।মনিরুল বলেন, মামলার বাদি ও তার বান্ধবীকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে। এসব তথ্য রিমান্ডে আসামিদের দেওয়া তথ্যের সঙ্গে মেলানো হচ্ছে।

 হোটেলের লোকজনকেও জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে।সাংবাদিকদের প্রশ্নে পুলিশ কর্মকর্তা আরো বলেন, রাতে ধারণ করা ভিডিওটি রিকভার করা হয়নি। তবে তদন্তের প্রয়োজনে তা করা হতে পারে। আজ এক আসামির রিমান্ড শেষ হচ্ছে। তার আবারও রিমান্ড চাওয়া হবে।সংবাদ সম্মেলনে অপর এক প্রশ্নে ডিএমপির যুগ্ম কমিশনার কৃষ্ণপদ রায় বলেন, অস্ত্রের বিষয়টি তদন্ত চলছে। সে রকম কিছু হলে অবশ্যই বেরিয়ে আসবে। সেজন্য অপেক্ষা করুন।প্রসঙ্গত, গত ৬ মে বনানী থানায় দায়ের করা এ মামলার এজাহারে বলা হয়েছে, গত ২৮ মার্চ বনানীর রেইনট্রি হোটেলে জন্মদিনের দাওয়াতে ডেকে নিয়ে দুই বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রীকে ধর্ষণ করেন সাফাত ও নাঈম। বাকি তিনজন তাদের সহযোগিতা করেন।


*

*

Top